রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় ১১ বছর আগের ঘটনায় আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা 

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ১১ বছর পূর্বে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক এক নেতা। মামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী লায়নসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের ২১ জন নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ওই মামলায় আরও ৪০-৫০ জন ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। মামলার বাদী ফারুক ইসলাম ছাত্র শিবিরের খানসামা উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও জামায়াতের উপজেলা শাখার সাবেক সহকারী সেক্রেটারি। বর্তমানে তিনি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি। তিনি গত ৪ জুলাই শুক্রবার দিবাগত রাতে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিগত ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে খানসামা থানার তৎকালীন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তাঁরা নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্রসহ অন্তত ৭ লাখ টাকার মালামাল লুট করে। চাঁদার ১ লাখ টাকা না দেয়ায় তাঁকে সাদা কাগজে বাধ্যতামূলক স্বাক্ষর করানো হয় এবং লাঠিপেটা করা হয়। শুধু তাই নয়-তাঁকে একাধিক মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, থানায় এনে আওয়ামী লীগ নেতা মোকছেদার রহমান তাঁকে মারপিট করেন। এছাড়াও উপজেলা জামায়াতের মাইজার রহমান, আব্দুল্লাহ আল কাফি, জিকরুল হক, মাও. আনিছুর রহমান, মজিবর রহমান ও রায়হানের বাড়িতে একইভাবে হামলা-লুটপাট চালানো হয়। এতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ করা হয়েছে।

এ মামলার বাদী ফারুক ইসলাম বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে অন্যায়ের বিচার চাওয়াটা ছিল অসম্ভব। এখন পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় সাহস করে মামলা করেছি। আশা করছি, ন্যায় বিচার পাবো।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জনপ্রিয়

খানসামায় ১১ বছর আগের ঘটনায় আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা 

প্রকাশের সময়: ০৯:৩৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ১১ বছর পূর্বে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক এক নেতা। মামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী লায়নসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের ২১ জন নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ওই মামলায় আরও ৪০-৫০ জন ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। মামলার বাদী ফারুক ইসলাম ছাত্র শিবিরের খানসামা উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও জামায়াতের উপজেলা শাখার সাবেক সহকারী সেক্রেটারি। বর্তমানে তিনি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি। তিনি গত ৪ জুলাই শুক্রবার দিবাগত রাতে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিগত ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে খানসামা থানার তৎকালীন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তাঁরা নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্রসহ অন্তত ৭ লাখ টাকার মালামাল লুট করে। চাঁদার ১ লাখ টাকা না দেয়ায় তাঁকে সাদা কাগজে বাধ্যতামূলক স্বাক্ষর করানো হয় এবং লাঠিপেটা করা হয়। শুধু তাই নয়-তাঁকে একাধিক মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, থানায় এনে আওয়ামী লীগ নেতা মোকছেদার রহমান তাঁকে মারপিট করেন। এছাড়াও উপজেলা জামায়াতের মাইজার রহমান, আব্দুল্লাহ আল কাফি, জিকরুল হক, মাও. আনিছুর রহমান, মজিবর রহমান ও রায়হানের বাড়িতে একইভাবে হামলা-লুটপাট চালানো হয়। এতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ করা হয়েছে।

এ মামলার বাদী ফারুক ইসলাম বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে অন্যায়ের বিচার চাওয়াটা ছিল অসম্ভব। এখন পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় সাহস করে মামলা করেছি। আশা করছি, ন্যায় বিচার পাবো।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।