রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আওয়ামী লীগ নেতা কর্তৃক এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

এজাহার সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নগর গ্রামের মৃত কচি মদ্দিনের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৬২) দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশের জনৈক মহিলার (৪০) সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চেষ্টা চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে গত ২ জুলাই দিবাগত রাত ৮টায় বাড়িতে স্বামী-শ্বশুর না থাকার সুযোগে ওই আওয়ামী লীগ নেতা মহিলার বাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ওই সময় মহিলার চিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে আসলে ওই নেতা পালিয়ে যায়।

প্রতিবেশি খবির উদ্দিন ও মোফাজ্জল হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই আওয়ামী লীগ নেতা এলাকার বিভিন্ন মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিত এবং সামনে দেখলেই নানা রকম অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতো। ঘটনার দিন শত শত এলাকাবাসির শোরগোল শুনতে পেয়ে ওই আওয়ামী লীগ নেতা বাড়ির প্রাচীর টপকিয়ে পালিয়ে যায়। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও গত ৮ জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত থানার ওসি মামলা রেকর্ড করেনি।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ওই ভূক্তভোগী মহিলা থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। ওই আসামী বর্তমানে পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তাকে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৫:২৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আওয়ামী লীগ নেতা কর্তৃক এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

এজাহার সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নগর গ্রামের মৃত কচি মদ্দিনের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৬২) দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশের জনৈক মহিলার (৪০) সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চেষ্টা চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে গত ২ জুলাই দিবাগত রাত ৮টায় বাড়িতে স্বামী-শ্বশুর না থাকার সুযোগে ওই আওয়ামী লীগ নেতা মহিলার বাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ওই সময় মহিলার চিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে আসলে ওই নেতা পালিয়ে যায়।

প্রতিবেশি খবির উদ্দিন ও মোফাজ্জল হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই আওয়ামী লীগ নেতা এলাকার বিভিন্ন মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিত এবং সামনে দেখলেই নানা রকম অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতো। ঘটনার দিন শত শত এলাকাবাসির শোরগোল শুনতে পেয়ে ওই আওয়ামী লীগ নেতা বাড়ির প্রাচীর টপকিয়ে পালিয়ে যায়। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও গত ৮ জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত থানার ওসি মামলা রেকর্ড করেনি।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ওই ভূক্তভোগী মহিলা থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। ওই আসামী বর্তমানে পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তাকে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।