শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঔষধ কোম্পানি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিনিধিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় ওষুধ কোম্পানি ও প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার সকালে সরজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবন ও বিভিন্ন বিভাগে দুটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি টানানো হয়েছে। এতে লেখা রয়েছে রোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে প্রতি রবিবার ও মঙ্গলবার ছাড়া অন্য দিনে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা জরুরি বিভাগ, বহিঃ ও অন্তঃবিভাগে প্রবেশ করতে পারবেন না। এতে রোগীর প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অপর আরেক বিজ্ঞপ্তিতে, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদেরও স্বাস্থ্যসেবা চলাকালীন সময়ে প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইতিপূর্বে মৌখিকভাবে নিষেধ করার পরও তাঁরা অহেতুক চিকিৎসকদের কক্ষে ঘোরাফেরা করছিলেন। এতে রোগগীদের সেবা প্রদান ব্যাহত হচ্ছিল। যা সরকারি কাজে প্রতিবন্ধকতার শামিল। তাই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

ঔষধ কোম্পানি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিনিধিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশের সময়: ০৬:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় ওষুধ কোম্পানি ও প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার সকালে সরজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবন ও বিভিন্ন বিভাগে দুটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি টানানো হয়েছে। এতে লেখা রয়েছে রোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে প্রতি রবিবার ও মঙ্গলবার ছাড়া অন্য দিনে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা জরুরি বিভাগ, বহিঃ ও অন্তঃবিভাগে প্রবেশ করতে পারবেন না। এতে রোগীর প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অপর আরেক বিজ্ঞপ্তিতে, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদেরও স্বাস্থ্যসেবা চলাকালীন সময়ে প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইতিপূর্বে মৌখিকভাবে নিষেধ করার পরও তাঁরা অহেতুক চিকিৎসকদের কক্ষে ঘোরাফেরা করছিলেন। এতে রোগগীদের সেবা প্রদান ব্যাহত হচ্ছিল। যা সরকারি কাজে প্রতিবন্ধকতার শামিল। তাই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।