লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার ৯২৫ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আটকদের মধ্যে চারজন শিশু, তিনজন নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছেন। তারা সবাই সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং দাবি করেছেন, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা।
বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, প্রায় এক দশক আগে জীবিকার সন্ধানে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে বসবাস করছিলেন। বুধবার বিকালে বিএসএফ তাদের আটক করে এবং রাতের আঁধারে সীমান্ত পথে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—শ্রী মন্টু রায়, তার স্ত্রী আর্চনা রানী, ছেলে শ্রী পলাশ রায়, মেয়ে মিশুরানী, একই এলাকার মহেন্দ্র চন্দ্র রায়ের মেয়ে ফুলরানী বর্মণ, ছেলে হরি কান্ত রায়, অনন্ত চন্দ্র বর্মনের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মন এবং তিন শিশু—সুরভী, স্বপ্না বর্মন ও পল্লবী রায়।
বিজিবি জানায়, ভোর চারটার দিকে গিরিধারী নদী পাড়ি দিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সূর্য ওঠার পর স্থানীয়দের নজরে এলে তারা বিষয়টি বিজিবিকে জানান। পরে দুর্গাপুর বিওপি ক্যাম্পের টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে। আটককৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন দুর্গাপুর ক্যাম্প কমান্ডার সাইদুর রহমান।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম (পিএসসি) বলেন, “ঘটনার পরপরই আমরা বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে চিঠি
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, লালমনিরহাট 
















