রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জরিনা বেগম নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে মৃতার স্বামী নাজির উদ্দিন পলাতক রয়েছে। গতকাল ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পাকেরহাট আদর্শ গ্রামে মৃতার শয়নকক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জরিনা বেগম (৪০) উপজেলার পাকেরহাট আদর্শ গ্রামের নাজির উদ্দিনের স্ত্রী।

মৃত জরিনা বেগমের মেয়ে নার্গিস আক্তার জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-মায়ের মধ্যে মনোমালিন্য ও কলহ চলে আসতে ছিল। ঘটনার দিন সকালেও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া ও বাগবিতন্ডা হয়। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে দাবি করেন জরিনার পিতার বাড়ির লোকজন। তারা অভিযোগ করেন, জরিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে স্বামী নাজির উদ্দিনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন।

ঘটনার আগের দিনও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হয়।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

খানসামায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

প্রকাশের সময়: ০৯:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জরিনা বেগম নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে মৃতার স্বামী নাজির উদ্দিন পলাতক রয়েছে। গতকাল ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পাকেরহাট আদর্শ গ্রামে মৃতার শয়নকক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জরিনা বেগম (৪০) উপজেলার পাকেরহাট আদর্শ গ্রামের নাজির উদ্দিনের স্ত্রী।

মৃত জরিনা বেগমের মেয়ে নার্গিস আক্তার জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-মায়ের মধ্যে মনোমালিন্য ও কলহ চলে আসতে ছিল। ঘটনার দিন সকালেও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া ও বাগবিতন্ডা হয়। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে দাবি করেন জরিনার পিতার বাড়ির লোকজন। তারা অভিযোগ করেন, জরিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে স্বামী নাজির উদ্দিনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন।

ঘটনার আগের দিনও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হয়।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।