রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বামীকে নিয়ে বিষণ্ণতায় স্ত্রীর বিষপান

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ফাতেমা আক্তার (২২) বিয়ের পর থেকে স্বামী সুজন মিয়ার (২৭) সেবাযত্ন থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এ নিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার একপর্যায়ে বিষপানে আত্নহত্যা করেছেন এই নারী।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

ফাতেমা খাতুন পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তার মিয়া ও কবিরন বেওয়া দম্পতির পালিত মেয়ে।

স্বজনরা জানায়, প্রায় দেড় বছর আগে সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর (পুর্বপাড়া) গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে সুজন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়। তখন থেকে স্বামীর অবহেলায় ভুগছিলেন ফাতেমা। এ নিয়ে একাধিকবার সালিস অনুষ্ঠিত হয়। তবে হয়নি কোন সমাধা। এ কারনে  অধিকাংশ সময়ে মা কবিরন বেওয়ার বাড়িতে অবস্থান করেন ফাতেমা আক্তার। সেখানে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতে থাকার একপর্যায়ে সোমবার সকালে বাড়ির লোকজনের অজান্তে বিষপান করেন। কিছুক্ষণ পর টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাতেমাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মাহাবুল আলম হিটলু বলেন, বিয়ের পর থেকে ফাতেমা তার স্বামীকে নিয়ে মানসিক যন্ত্রনায় ভুগছিলেন। এরই মধ্যে ইদুর মারা ওষুধ খেয়ে ফাতেমা আত্নহত্যা করেছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার জানান, খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর মরহেদ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

জনপ্রিয়

স্বামীকে নিয়ে বিষণ্ণতায় স্ত্রীর বিষপান

প্রকাশের সময়: ০৫:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ফাতেমা আক্তার (২২) বিয়ের পর থেকে স্বামী সুজন মিয়ার (২৭) সেবাযত্ন থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এ নিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার একপর্যায়ে বিষপানে আত্নহত্যা করেছেন এই নারী।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

ফাতেমা খাতুন পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তার মিয়া ও কবিরন বেওয়া দম্পতির পালিত মেয়ে।

স্বজনরা জানায়, প্রায় দেড় বছর আগে সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর (পুর্বপাড়া) গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে সুজন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়। তখন থেকে স্বামীর অবহেলায় ভুগছিলেন ফাতেমা। এ নিয়ে একাধিকবার সালিস অনুষ্ঠিত হয়। তবে হয়নি কোন সমাধা। এ কারনে  অধিকাংশ সময়ে মা কবিরন বেওয়ার বাড়িতে অবস্থান করেন ফাতেমা আক্তার। সেখানে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতে থাকার একপর্যায়ে সোমবার সকালে বাড়ির লোকজনের অজান্তে বিষপান করেন। কিছুক্ষণ পর টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাতেমাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মাহাবুল আলম হিটলু বলেন, বিয়ের পর থেকে ফাতেমা তার স্বামীকে নিয়ে মানসিক যন্ত্রনায় ভুগছিলেন। এরই মধ্যে ইদুর মারা ওষুধ খেয়ে ফাতেমা আত্নহত্যা করেছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার জানান, খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর মরহেদ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।