রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে জিয়াউর ইসলাম (৪৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তারা হলেন, ইব্রাহিম আলী (৫০), তার স্ত্রী শামছুন্নাহার বেগম (৪৫) ও ছেলে ছামিউল ইসলাম (২৫)। তারা নিহতের ভাই, ভাবী ও ভাতিজা।
নিহত জিয়াউর ইসলাম উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের মাঝবাড়ি গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে।
সোমবার বিকেল ৪ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম রেজা।
তিনি বলেন, এর আগে ভোর রাতে তাঁদেরকে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার প্রধান আসামিসহ বাকি পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশ তৎপর আছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে পারিবারিক বসতবাড়ির গাছের আম পারাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জিয়াউর ইসলাম ছুরিকাঘাতে নিহত হন। ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী আছমা বেগম (৩৯) ও ছেলে ইসমাইল হোসেন (১৭)। বর্তমানে তারা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরেরদিন শনিবার রাতে নিহতের স্ত্রী আছমা বেগম বাদী হয়ে থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ঘটনার রাতে পরিকল্পিতভাবে লাঠি ও ছোরা হাতে নিয়ে আসামিরা বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সাইফুল ইসলাম নামে এক ভাতিজা ধারালো ছুরি দিয়ে আছমা বেগম ও জিয়াউর ইসলামকে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই জিয়াউর ইসলাম মারা যান। আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জনপ্রিয়

ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩

প্রকাশের সময়: ০৮:০৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে জিয়াউর ইসলাম (৪৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তারা হলেন, ইব্রাহিম আলী (৫০), তার স্ত্রী শামছুন্নাহার বেগম (৪৫) ও ছেলে ছামিউল ইসলাম (২৫)। তারা নিহতের ভাই, ভাবী ও ভাতিজা।
নিহত জিয়াউর ইসলাম উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের মাঝবাড়ি গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে।
সোমবার বিকেল ৪ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম রেজা।
তিনি বলেন, এর আগে ভোর রাতে তাঁদেরকে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার প্রধান আসামিসহ বাকি পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশ তৎপর আছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে পারিবারিক বসতবাড়ির গাছের আম পারাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জিয়াউর ইসলাম ছুরিকাঘাতে নিহত হন। ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী আছমা বেগম (৩৯) ও ছেলে ইসমাইল হোসেন (১৭)। বর্তমানে তারা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরেরদিন শনিবার রাতে নিহতের স্ত্রী আছমা বেগম বাদী হয়ে থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ঘটনার রাতে পরিকল্পিতভাবে লাঠি ও ছোরা হাতে নিয়ে আসামিরা বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সাইফুল ইসলাম নামে এক ভাতিজা ধারালো ছুরি দিয়ে আছমা বেগম ও জিয়াউর ইসলামকে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই জিয়াউর ইসলাম মারা যান। আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।