রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে শিক্ষাবৃত্তির নামে গুজব মোকাবিলায় প্রশাসনের মাইকিং

করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের অনুদান হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে দেবে সরকার। এমন গুজব গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এতে কান দিয়ে কম্পিউটারের দোকানগুলোতে ভিড় জমায় শিক্ষার্থীরা। তারা অনলাইনের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার পাবার আশায় নিবন্ধন করতে শুরু করে। আর এই গুজব মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে মাইকিং করাসহ বিজ্ঞপ্তি পাবলিষ্ট করা হয়।

গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণে মহাব্যস্ত। আবার কেউ সিরিয়ালের অপেক্ষায়। এই চিত্র সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে। সেখানকার সবগুলো কম্পিউটারের দোকানে নিবন্ধন করতে হুমরি খেয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিকট থেকে সংগ্রহ করে প্রত্যায়নপত্র। এরপর শিক্ষার্থীরা ১০ হাজার পাকা পাবার আশয়া অনলাইনে আবেদন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

নাশপ্রকাশ না করা শর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, সরকার নাকি ১০ হাজার টাকা অনুদান দেবে। সেই অনুদানের জন্য আমরা সবাই নিবন্ধন করছি। কিন্তু কে অনুদান দেবে, কেন দেবে! এটাই আর তো বলতে পারছে না।

এর আগে বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয় সবাইকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া হবে। সেই গুজবের রেশ ধরে গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনভর এমনকি রাতেও নিবন্ধনের জন্য কম্পিউটারের দোকান গুলোতে ভিড় করে হাজার হাজার ছেলে মেয়ে। এমন গুজব মোকাবিলায় সাদুল্লাপুর প্রশাসন মাইকিং ও বিজ্ঞপ্তি পাবলিষ্ট করে।

জামালপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আনোয়রুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুদান হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে দেবে সরকার, এমন নির্দেশনা আমার জানা নেই। তারপরও কিছু শিক্ষার্থী প্রত্যায়ন পত্র নিয়েছে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নবীনেওয়াজ জানান, বর্তমানে শিক্ষাবৃত্তির নামে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা একটি গুজব ছড়ানো হয়েছে।সেটি মোকাবিলায় মাইকিং করাসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

 

 

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে শিক্ষাবৃত্তির নামে গুজব মোকাবিলায় প্রশাসনের মাইকিং

প্রকাশের সময়: ০৬:১৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মার্চ ২০২১

করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের অনুদান হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে দেবে সরকার। এমন গুজব গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এতে কান দিয়ে কম্পিউটারের দোকানগুলোতে ভিড় জমায় শিক্ষার্থীরা। তারা অনলাইনের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার পাবার আশায় নিবন্ধন করতে শুরু করে। আর এই গুজব মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে মাইকিং করাসহ বিজ্ঞপ্তি পাবলিষ্ট করা হয়।

গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণে মহাব্যস্ত। আবার কেউ সিরিয়ালের অপেক্ষায়। এই চিত্র সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে। সেখানকার সবগুলো কম্পিউটারের দোকানে নিবন্ধন করতে হুমরি খেয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিকট থেকে সংগ্রহ করে প্রত্যায়নপত্র। এরপর শিক্ষার্থীরা ১০ হাজার পাকা পাবার আশয়া অনলাইনে আবেদন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

নাশপ্রকাশ না করা শর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, সরকার নাকি ১০ হাজার টাকা অনুদান দেবে। সেই অনুদানের জন্য আমরা সবাই নিবন্ধন করছি। কিন্তু কে অনুদান দেবে, কেন দেবে! এটাই আর তো বলতে পারছে না।

এর আগে বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয় সবাইকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া হবে। সেই গুজবের রেশ ধরে গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনভর এমনকি রাতেও নিবন্ধনের জন্য কম্পিউটারের দোকান গুলোতে ভিড় করে হাজার হাজার ছেলে মেয়ে। এমন গুজব মোকাবিলায় সাদুল্লাপুর প্রশাসন মাইকিং ও বিজ্ঞপ্তি পাবলিষ্ট করে।

জামালপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আনোয়রুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুদান হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে দেবে সরকার, এমন নির্দেশনা আমার জানা নেই। তারপরও কিছু শিক্ষার্থী প্রত্যায়ন পত্র নিয়েছে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নবীনেওয়াজ জানান, বর্তমানে শিক্ষাবৃত্তির নামে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা একটি গুজব ছড়ানো হয়েছে।সেটি মোকাবিলায় মাইকিং করাসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।