দিনাজপুর চিরিরবন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা প্রতিমা ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় শুক্রশীল বাদী হয়ে ৮ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি পুনট্রি ইউনিয়নের বড় নাপিতপাড়া শুক্রচন্দ্র শীলের বাড়িতে গত ২ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সোয়া ১২টায় ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও থানায় দায়েরকৃত এজাহার সুত্রে জানা গেছে, শুক্রচন্দ্র শীলের পৈত্রিক সম্পত্তি প্রতিপক্ষ স্থানীয় মতি মোল্লা ও তার ছেলেরা তাদের নিজেদের দাবি করে পুকুর থেকে মাছ ও বাশঁঝাড় থেকে বাঁশ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রচন্দ্র শীলের পরিবারের সদস্যরা বাঁধা দেয়। এতে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদেরকে মারধর করে। মারপিটে ৩ জন আহত হয়। বর্তমানে তারা দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উভয়পক্ষের সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুক্রচন্দ্র শীলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২ মার্চ দুপুর ১২টায় চিরিরবন্দর থানার এস আই কমল চন্দ্র ও তার সঙ্গীয় কনষ্টেবল ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়কে কাগজপত্রসহ থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে কোন প্রকার বাকবিতন্ডা, মারামারি করতে নিষেধ করে চলে যায়। পুলিশ চলে যাওয়ার পরপরই সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে এসে শুক্রশীলের অন্ধ বোন জেবা রানী শীল, স্ত্রী শুভা রানী শীল এবং দেড় বছরের নাতির উপর আক্রমন করে এবং বিরোধপুর্ণ জমির উপর নির্মিত মন্দিরের প্রতিমা ও মন্দির ভাংচূর করে চলে যায়।
সংবাদ পেয়ে দ্রæত ঘটনাস্থলে চিরিরবন্দর সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইরতিজা হাসান, থানার অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার সরজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করাটা মোটেও উচিত হয়নি। তবে যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গত ৫ মার্চ শুক্রবার রাতভর মতি মোল্লার বাড়িসহ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ ব্যাপারে মতি মোল্লার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পলাতক থাকায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 














