গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দীর্ঘি দিন থেকে পৌরশহরের রাস্তার পাশেই ধীর গতিতে ড্রেন নির্মাণ চলমান থাকায় উপজেলা সদরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছে পৌরশহরে আসা লোকজন। বিশেষ করে সাপ্তাহিক হাটের দিন শনি ও বুধবার যানজট তীব্র আকার ধারন করে।
উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী নিয়ে কৃষক ও সাধারণ মানুষ বাজারে আসেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উপজেলা সদরে পণ্য আসে। রাস্তায় একসাথে বড় গাড়িগুলোর আসা যাওয়া করতেও বেগ পেতে হয়। মূল সড়কে ড্রেন তৈরির কাজ ধীরগতিতে চলায় জনদুর্ভোগ চরম আঁকার ধারণ করেছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যত্রতত্র ময়লা ফেলে স্তুপে পরিণত হয়েছে। যা অপসারণের উদ্যোগ নেই কারো। শহরের ডাস্টবিনগুলো বজ্র দিয়ে ভর্তি হওয়ার পরে এখনো তা অপসারণ করা হয়নি। এমনি শহরের রাস্তা-ঘাটগুলো ঝাড়ুদার দিয়ে পরিস্কার-পরিছন্ন করার কোন উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। এছাড়াও, শহরে অবাধে অনুমোদনহীন ট্রাক্টর (কাঁকড়া), ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা, ভ্যান চলাচল করছে অনিয়ন্ত্রিতভাবে। এমনকি শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে যত্রতত্র গাড়ী পার্কিং ও নিয়মবর্হিভূত যাত্রী উঠানো নামানোর কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এর ফলে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষজন ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাফেরা চরম ঝুঁকির মধ্যে করতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার ও পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলে বর্তমানে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের কবলে পড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখানে যানজট আগে ছিল না। দীর্ঘ দিন থেকে ধীর গতিতে ড্রেন নির্মাণের চলমান থাকায় বাজারের মাঝে, বিশেষ করে সোনালী ব্যাংক, বাহির গোলা মসজিদ মোড়, কাঁঠালতলী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করছেন। ফলে রাস্তা ছোট হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে নবনির্বাচিত পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ সরকার ডাবলু জাগো২৪.নেট-কে বলেন, আমি দায়িত্ব পাওয়ার পরেই ড্রেনেজ নির্মাণকাজ শুরু করেছি এবং খুব দ্রুত শেষ হবে বলে আশা করছি। তিনি আরো বলেন পর্যায়ক্রমে পৌরসভার অন্যান্য কাজগুলো করব।
করেসপন্ডেন্ট জাগো২৪.নেট, সুন্দরগঞ্জ, (গাইবান্ধা) 















