রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করে দখল চেষ্টার অভিযোগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ জবর দখল চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন এ পরিবারটি।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সাহাবাজ গ্রামে দেখা গেছে- মোহাম্মদ আলীর ঘরবাড়ি ভাঙচুরের চিত্র। এ নিয়ে থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এলাকাবাসী ও থানার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, তালুক সাহাবাজ গ্রামের মছির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী তার নিজস্ব ছয় শতক জমির বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। যার তফসিল বর্নিত জমি মৌজা- তালুক সাহাবাজ, জেএল নং- ১২, এসএ খতিয়ান- ১২৫৩, দাগ নং-৮৪৪৬। এরই মধ্যে প্রতিবেশী আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে মকবুল হোসেন ও মজিবর রহমান গংরা তফসিলের ওই ছয় শতক জমি অহেতুক দাবি করে জোরপূর্বক দখল করার পাঁয়তারা করে চলেছেন।

এরই একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ মকবুল হোসেন গংরা মোহাম্মদ আলীকে নানাভাবে হুমকি দিলে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে গাইবান্ধা বিজ্ঞ আদালত একটি মামলা দায়ের করেন। এ অবস্থায় বাদী মোহাম্মদ আলীর পিতা মছির উদ্দিনের নামে রায় হয়। তখন বিবাদীরা মুসলেকা প্রদান করেন। এছাড়াও ইতোপূর্বে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক মছির উদ্দিনের পক্ষে প্রতিবেদন দেন। কিন্তু আদালতের এসব রায়কে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে মকবুল হোসেন গংরা ক্ষোভে থাকেন।

এ ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগস্ট দুপুরের দিকে মকবুল হোসেন সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠি এবং দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোহামম্দ আলীর বাড়িতে অনঅধিকার প্রবেশ করেন। এসময় তারা উত্তেজিত  হয়ে গালমন্দ করে হুমকি প্রদর্শন করে টিনের একটি ছাপড়া ভেঙে ফেলে। এতে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এই হামলাকারীরা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগি মোহাম্মদ আলী বলেন, আদালতের রায় এবং এসিল্যান্ড আমাদের পক্ষে রিপোর্ট দিলেও তা মানছে না মকবুল হোসেনরা। আমাদের ওই ছয় শতক জমি দখলের জন্য হামলা করেছে। সার্বিক বিষয়ে আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুল হোসেনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় কিন্তু তাদের পাওয়া যায়নি।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, মোহাম্মদ আলীর ঘর ভাঙচুর সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছেন। সেটি তদান্তাধীন রয়েছে।

 

জনপ্রিয়

বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করে দখল চেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৩:০০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ জবর দখল চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন এ পরিবারটি।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সাহাবাজ গ্রামে দেখা গেছে- মোহাম্মদ আলীর ঘরবাড়ি ভাঙচুরের চিত্র। এ নিয়ে থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এলাকাবাসী ও থানার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, তালুক সাহাবাজ গ্রামের মছির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী তার নিজস্ব ছয় শতক জমির বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। যার তফসিল বর্নিত জমি মৌজা- তালুক সাহাবাজ, জেএল নং- ১২, এসএ খতিয়ান- ১২৫৩, দাগ নং-৮৪৪৬। এরই মধ্যে প্রতিবেশী আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে মকবুল হোসেন ও মজিবর রহমান গংরা তফসিলের ওই ছয় শতক জমি অহেতুক দাবি করে জোরপূর্বক দখল করার পাঁয়তারা করে চলেছেন।

এরই একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ মকবুল হোসেন গংরা মোহাম্মদ আলীকে নানাভাবে হুমকি দিলে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে গাইবান্ধা বিজ্ঞ আদালত একটি মামলা দায়ের করেন। এ অবস্থায় বাদী মোহাম্মদ আলীর পিতা মছির উদ্দিনের নামে রায় হয়। তখন বিবাদীরা মুসলেকা প্রদান করেন। এছাড়াও ইতোপূর্বে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক মছির উদ্দিনের পক্ষে প্রতিবেদন দেন। কিন্তু আদালতের এসব রায়কে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে মকবুল হোসেন গংরা ক্ষোভে থাকেন।

এ ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগস্ট দুপুরের দিকে মকবুল হোসেন সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠি এবং দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোহামম্দ আলীর বাড়িতে অনঅধিকার প্রবেশ করেন। এসময় তারা উত্তেজিত  হয়ে গালমন্দ করে হুমকি প্রদর্শন করে টিনের একটি ছাপড়া ভেঙে ফেলে। এতে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এই হামলাকারীরা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগি মোহাম্মদ আলী বলেন, আদালতের রায় এবং এসিল্যান্ড আমাদের পক্ষে রিপোর্ট দিলেও তা মানছে না মকবুল হোসেনরা। আমাদের ওই ছয় শতক জমি দখলের জন্য হামলা করেছে। সার্বিক বিষয়ে আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুল হোসেনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় কিন্তু তাদের পাওয়া যায়নি।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, মোহাম্মদ আলীর ঘর ভাঙচুর সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছেন। সেটি তদান্তাধীন রয়েছে।