জাতির পিতা বঙ্গ বন্ধুর আদর্শ সৈনিক,বঙ্গ বন্ধুর বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে বড় হয়েছেন তিনি৷ জুনাইদ আহমেদ পলকের এক নিষ্ট কর্মি,সিংড়ার মাটি নৌকা তথা পলকের ঘাটি এ বিশ্বাসে বিশ্বাসী তরুণ প্রজম্মের নেতা মুকুল হোসেন।
তিনি নৌকা প্রতীক পেলে খাঁজুরাকে ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবেন৷ বিশ্ব যুব নেতা জুনাইদ আহমেদ পলক কে এমন একটি ইউনিয়ন উপহার দিতে চান আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল হোসেন।
আওয়ামীলীগে সবাই ভাই ভাই। মিষ্টভাষী, শিক্ষিত, সাদা মনের একজন মানব প্রেমী মানুষ,নেতা মুকুল হোসেন।
খাঁজুরা ইউনিয়নকে ঢেলে সাঁজাতে চান,দিতে চান ডিজিটাল কাঠির ছোয়া। আর ডিজিটাল কাঠি তার হাতেই শোভা পায় যিনি সকল শিক্ষায় শিক্ষিত৷ ইউনিয়ন বাসী মনে করেন,সকল গুনের অধিকারী নেতা মুকুল।
মানুষের ভালোবাসা নিয়েই তিনি ইউনিয়ন চোষে বেড়াচ্ছেন৷ তিনি মনে করেন দল তার পরিবার, আর এ পরিবারের প্রতিটা সদস্য তার রক্তের ভাই।
এ ইউনিয়ন তার পরিবার, এখানে আছে ভালোবাসা৷ লাল সবুজ পতাকা প্রেমী নেতা মুকুল হোসেন।
ইউনিয়ন বাসীর আশা পূরণে ছুটে চলেছেন। তিনি ক্লান্তহীন মুজিব সৈনিক,ক্লান্ত তাকে ছুতে পারেনি। প্রতিটা নাগরিক তার ভাই,বন্ধু,স্বজন। কর্মিদের প্রতি আছে তার ভালোবাসা। কর্মি বান্ধব এ নেতা কর্মিদের নিয়ে ছুটে চলেছেন। জুনাইদ আহমেদ পলকের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য খাঁজুরা ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ নৌকা মার্কায় চেয়ারম্যান হিসেবে প্রজম্মের অহংকার মুকুল হোসেনকে দেখতে চায়। বিভিন্ন ওয়ার্ডে উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ তাদের মত প্রকাশ করেছেন,তারা মুকুল হোসেনকেই চায়৷ সাধারণ ভোটারগণ মনে করেন,যোগ্য ব্যক্তির হাতে ইউনিয়নের দায়িত্ব গেলে সে সুন্দর একটি স্বপ্নের ইউনিয়ন উপহার দিবে,সে ক্ষেত্রে নেতা মুকুল হোসেন সর্বজন পছন্দের একজন ব্যক্তি। নতুন ভোটারদের মনে আশার আলো জেগেছে,তাদের আশা নেতা মুকুল নৌকা প্রতীক পেয়ে নির্বাচিত হলে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে ইউনিয়ন।
হাবিবুর রহমান,করেসপন্ডেন্ট জাগো২৪.নেট সিংড়া (নাটোর) 














