রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন ৪ বছর ধরে অচল

স্বাস্থ্যসেবায় দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কয়েকবার শ্রেষ্ঠ হয়েছে। জনবল ও বরাদ্দ সংকট নিয়েও স্বাস্থ্যসেবায় কয়েকবারের শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন দীর্ঘ ৪ বছর ধরে অচল হয়ে পড়ে রয়েছে। হাসপাতালে একজনও কনসালটেন্ট নেই। এরপরেও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মরত চিকিৎসকরা। এদিকে, এক্স-রে মেশিন অচল হওয়ার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকের দালালদের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে রোগীদের। তাই দ্রæত এক্স-রে কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন দুর্ভোগে পড়া ভুক্তভোগীরা।

জানা গেছে, খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০০৩ সালে এক্স-রে বিভাগ চালু হয়। ওই সময় থেকে প্রতিদিন ইনডোরে অন্তত ৭-৮ জন রোগীর এক্স-রে করা হতো। কিন্তু গত ২০১৭ সাল থেকে এক্স-রে মেশিন অচল হওয়ায় প্রায় চার বছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই হাসপাতালে সেবা নিতে আগত রোগীরা রোগ নির্ণয়ে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে অতিরিক্ত খরচ গুণতে হচ্ছে।

টাকার অভাবে এক্স-রে করতে না পারা উপজেলার ছাতিয়ানগড় গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩০) নামে এক রোগী জানান, বাইরে এক্স-রে করতে গেলে ৪-৫শ টাকা প্রয়োজন। যেটি হাসপাতালে করা গেলে অল্প টাকায় করা সম্ভব হত।

হাসপাতালের আরএমও ডা. শামসুদ্দোহা মুকুল জানান, এক্স-রে মেশিন অচল হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফার) হামিদুর রহমান কাজলকে এখন ফার্মেসিতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মো.মিজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন সংস্কার কিংবা নতুন মেশিনের চাহিদা চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কয়েক দফায় চিঠি দিয়ে অবগত করেছি। দ্রæত এক্স-রে মেশিন চালু করতে সংশ্লিষ্ট সবার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন ৪ বছর ধরে অচল

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১

স্বাস্থ্যসেবায় দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কয়েকবার শ্রেষ্ঠ হয়েছে। জনবল ও বরাদ্দ সংকট নিয়েও স্বাস্থ্যসেবায় কয়েকবারের শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন দীর্ঘ ৪ বছর ধরে অচল হয়ে পড়ে রয়েছে। হাসপাতালে একজনও কনসালটেন্ট নেই। এরপরেও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মরত চিকিৎসকরা। এদিকে, এক্স-রে মেশিন অচল হওয়ার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকের দালালদের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে রোগীদের। তাই দ্রæত এক্স-রে কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন দুর্ভোগে পড়া ভুক্তভোগীরা।

জানা গেছে, খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০০৩ সালে এক্স-রে বিভাগ চালু হয়। ওই সময় থেকে প্রতিদিন ইনডোরে অন্তত ৭-৮ জন রোগীর এক্স-রে করা হতো। কিন্তু গত ২০১৭ সাল থেকে এক্স-রে মেশিন অচল হওয়ায় প্রায় চার বছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই হাসপাতালে সেবা নিতে আগত রোগীরা রোগ নির্ণয়ে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে অতিরিক্ত খরচ গুণতে হচ্ছে।

টাকার অভাবে এক্স-রে করতে না পারা উপজেলার ছাতিয়ানগড় গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩০) নামে এক রোগী জানান, বাইরে এক্স-রে করতে গেলে ৪-৫শ টাকা প্রয়োজন। যেটি হাসপাতালে করা গেলে অল্প টাকায় করা সম্ভব হত।

হাসপাতালের আরএমও ডা. শামসুদ্দোহা মুকুল জানান, এক্স-রে মেশিন অচল হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফার) হামিদুর রহমান কাজলকে এখন ফার্মেসিতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মো.মিজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন সংস্কার কিংবা নতুন মেশিনের চাহিদা চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কয়েক দফায় চিঠি দিয়ে অবগত করেছি। দ্রæত এক্স-রে মেশিন চালু করতে সংশ্লিষ্ট সবার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।