শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২ প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও জনতার দলের প্রার্থী অধ্যাক্ষ আলহাজ্ব মো. মনজুরুল হক সাচ্ছা। এরপর শুনানি গ্রহণ অনুষ্ঠানে তাদের প্রার্থিতা মঞ্জুর করেছে কমিশন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) ও সোমবার (১২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল শুনানিঅন্তে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও অধ্যাক্ষ আলহাজ্ব মো. মনজুরুল হক সাচ্ছার প্রার্থিতা মঞ্জুর করা হয়।

এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ওই প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। এ সংক্রান্ত সমস্যা কাটিয়ে এখন বৈধ প্রার্থীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেন তারা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি বলেন, রির্টানিং অফিসার কর্তৃক যাচাই-বাছাইয়ে আমার মনোনয়পত্রে সামন্য কিছু অসঙ্গতি দেখি বাতিল করেন। এরপর নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করা হলে তা মঞ্জুর করে আমাকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

এ বিষয়ে জনতার দল মনোনীত প্রার্থী অধ্যাক্ষ আলহাজ্ব মো. মনজুরুল হক সাচ্ছা বলেন, রির্টানিং অফিসে যাচাই-বাছাইয়ে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তারপর ইসিতে আপিল দায়ের করি। সেখান থেকে আমাকে বৈধ্য প্রার্থী হিসেবে মঞ্জুর করেছে।  কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২ প্রার্থী

প্রকাশের সময়: ১০:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও জনতার দলের প্রার্থী অধ্যাক্ষ আলহাজ্ব মো. মনজুরুল হক সাচ্ছা। এরপর শুনানি গ্রহণ অনুষ্ঠানে তাদের প্রার্থিতা মঞ্জুর করেছে কমিশন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) ও সোমবার (১২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল শুনানিঅন্তে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও অধ্যাক্ষ আলহাজ্ব মো. মনজুরুল হক সাচ্ছার প্রার্থিতা মঞ্জুর করা হয়।

এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ওই প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। এ সংক্রান্ত সমস্যা কাটিয়ে এখন বৈধ প্রার্থীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেন তারা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি বলেন, রির্টানিং অফিসার কর্তৃক যাচাই-বাছাইয়ে আমার মনোনয়পত্রে সামন্য কিছু অসঙ্গতি দেখি বাতিল করেন। এরপর নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করা হলে তা মঞ্জুর করে আমাকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

এ বিষয়ে জনতার দল মনোনীত প্রার্থী অধ্যাক্ষ আলহাজ্ব মো. মনজুরুল হক সাচ্ছা বলেন, রির্টানিং অফিসে যাচাই-বাছাইয়ে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তারপর ইসিতে আপিল দায়ের করি। সেখান থেকে আমাকে বৈধ্য প্রার্থী হিসেবে মঞ্জুর করেছে।  কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।