বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

না ফেরার দেশে ভাষা সৈনিক কমরেড আবদুল হাকিম

বায়ান্নর ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কমরেড আবদুল হাকিম আর নেই। রোববার (১৪ মার্চ) রাত ২টায় নিজবাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
সোমবার (১৫ মার্চ) দুপুরে জেলার ঘিওর উপজেলার ডি এন পাইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কমরেড আবদুল হাকিম মানিকগঞ্জের ধামশ্বর ইউনিয়নের কলিয়া গ্রামের আব্বাস উদ্দিন ও আছিরুন বেগমের মেজ ছেলে। অন্তিমকালে তিনি দুই মেয়ে এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
১৯৪৯ সালে তিনি তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের ছাত্র থাকাকালিন ভাষা আন্দোলনে যুক্ত হন। একাত্তরে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। কর্মজীবনে কমরেড আবদুল হাকিম মাস্টার তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

না ফেরার দেশে ভাষা সৈনিক কমরেড আবদুল হাকিম

প্রকাশের সময়: ০৭:৩১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১
বায়ান্নর ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কমরেড আবদুল হাকিম আর নেই। রোববার (১৪ মার্চ) রাত ২টায় নিজবাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
সোমবার (১৫ মার্চ) দুপুরে জেলার ঘিওর উপজেলার ডি এন পাইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কমরেড আবদুল হাকিম মানিকগঞ্জের ধামশ্বর ইউনিয়নের কলিয়া গ্রামের আব্বাস উদ্দিন ও আছিরুন বেগমের মেজ ছেলে। অন্তিমকালে তিনি দুই মেয়ে এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
১৯৪৯ সালে তিনি তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের ছাত্র থাকাকালিন ভাষা আন্দোলনে যুক্ত হন। একাত্তরে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। কর্মজীবনে কমরেড আবদুল হাকিম মাস্টার তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।