রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শখের কবুতর পালনে স্বাবলম্বী রাশেদ

শখের বশে দু-চারটি দিয়ে শুরু করেছিলেন কবুতর পালন। এখন বেড়ে হয়েছে শত শত কবুতর। শখ থেকে শুরু করলেও কবুতর পালনে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন পিরোজপুর পৌরসভার খানাকুনিয়ারি এলাকার মো. রাশেদ খান।
ছোটবেলা থেকেই কবুতর পালনের প্রতি ঝোঁক ছিল রাশেদের। ব্যবসার সুবাদে একসময় ঢাকায় বসবাস করতেন তিনি। পরে ঢাকার ব্যবসা ছেড়ে পিরোজপুরে ফিরে এই শখকে পুঁজি করেন। এই ধারাবাহিকতায় কবুতর পালন করে ৬ বছর ধরে উপার্জন করছেন রাশেদ। কবুতর পালনের উপার্জন দিয়ে ভালোভাবেই চলছে তার পরিবারের ভরণ-পোষণ।
বর্তমানে রাশেদের খামারে চার শতাধিক গিরিবাজ প্রজাতির কবুতর রয়েছে; যার প্রতিটির মূল্য ৪ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তার কবুতরের মধ্যে চুইনা, মার্কসি, জিরাগলা, সবুজগলা, লালগলা, বেনারস এবং পাঙ্খি উল্লেখযোগ্য।
কবুতরগুলো পালনের জন্য রাশেদ তার বাড়ির দোতলায় তৈরি করেছেন আলাদা খামার। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই কবুতরগুলোকে পরিচর্যাসহ খাবার দিচ্ছেন তিনি।
এদিকে রাশেদের খামারের খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে কবুতরপ্রেমীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে তার কাছে ছুটে আসেন কবুতর কেনার জন্য।
রাশেদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি তার দ্বারা কবুতর পালনের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন স্থানীয় যুবকরাও। স্থানীয় বাসিন্দা মামুন জানান, রাশেদ ভাই শখের বসে কবুতর পালন শুরু করলেও এখন তিনি এ থেকে বেশ লাভবান। তার দেখাদেখি আশাপাশের এবং দূর দুরান্ত থেকে অনেকেই পালার জন্য এখান থেকে কবুতর কিনে নিয়ে যায়।
পিরোজপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শহিদুল ইসলাম সিকদার বলেন, রাশেদের মতো উদ্যোগ নিয়ে যুবকরা কবুতর পালনে এগিয়ে আসলে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে থাকতে পারবে।
জনপ্রিয়

শখের কবুতর পালনে স্বাবলম্বী রাশেদ

প্রকাশের সময়: ০৩:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১
শখের বশে দু-চারটি দিয়ে শুরু করেছিলেন কবুতর পালন। এখন বেড়ে হয়েছে শত শত কবুতর। শখ থেকে শুরু করলেও কবুতর পালনে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন পিরোজপুর পৌরসভার খানাকুনিয়ারি এলাকার মো. রাশেদ খান।
ছোটবেলা থেকেই কবুতর পালনের প্রতি ঝোঁক ছিল রাশেদের। ব্যবসার সুবাদে একসময় ঢাকায় বসবাস করতেন তিনি। পরে ঢাকার ব্যবসা ছেড়ে পিরোজপুরে ফিরে এই শখকে পুঁজি করেন। এই ধারাবাহিকতায় কবুতর পালন করে ৬ বছর ধরে উপার্জন করছেন রাশেদ। কবুতর পালনের উপার্জন দিয়ে ভালোভাবেই চলছে তার পরিবারের ভরণ-পোষণ।
বর্তমানে রাশেদের খামারে চার শতাধিক গিরিবাজ প্রজাতির কবুতর রয়েছে; যার প্রতিটির মূল্য ৪ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তার কবুতরের মধ্যে চুইনা, মার্কসি, জিরাগলা, সবুজগলা, লালগলা, বেনারস এবং পাঙ্খি উল্লেখযোগ্য।
কবুতরগুলো পালনের জন্য রাশেদ তার বাড়ির দোতলায় তৈরি করেছেন আলাদা খামার। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই কবুতরগুলোকে পরিচর্যাসহ খাবার দিচ্ছেন তিনি।
এদিকে রাশেদের খামারের খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে কবুতরপ্রেমীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে তার কাছে ছুটে আসেন কবুতর কেনার জন্য।
রাশেদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি তার দ্বারা কবুতর পালনের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন স্থানীয় যুবকরাও। স্থানীয় বাসিন্দা মামুন জানান, রাশেদ ভাই শখের বসে কবুতর পালন শুরু করলেও এখন তিনি এ থেকে বেশ লাভবান। তার দেখাদেখি আশাপাশের এবং দূর দুরান্ত থেকে অনেকেই পালার জন্য এখান থেকে কবুতর কিনে নিয়ে যায়।
পিরোজপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শহিদুল ইসলাম সিকদার বলেন, রাশেদের মতো উদ্যোগ নিয়ে যুবকরা কবুতর পালনে এগিয়ে আসলে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে থাকতে পারবে।