রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি দখল ও জবরদখলের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। বিভিন্ন মৌজায় সাধারণ মানুষের জমি প্রভাব খাটিয়ে দখলে রাখার অভিযোগ এনে এসব ঘটনার তদন্ত ও দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাজার চর আদর্শ বাজারে কাপাসিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও ভুক্তভোগী জনসাধারণের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ জিয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম, ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জু মিয়া, আব্দুর রশিদ মণ্ডল, আলিম উদ্দিন, বদিউজ্জামানসহ স্থানীয় জনসাধারণ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের জমি দখল ও জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে অনেক মানুষ নিজেদের জমির দখল ও মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন।

মানববন্ধনে কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাজচরের পূর্ব পাশে বসবাসকারী আশরাফ আলী ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মৌজায় প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি দখলে রাখার অভিযোগ তোলা হয়। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী একটি মহলের সহায়তায় লাঠিয়াল বাহিনী ব্যবহার করে এসব জমি দখলে রাখা হয়েছে। এতে প্রকৃত মালিকরা নিজেদের জমি ভোগদখল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বক্তারা আরও দাবি করেন, আশরাফ আলী ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলা ও অভিযোগ হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৫টি মামলা চলমান রয়েছে বলেও মানববন্ধনে দাবি করা হয়। তবে মামলা ও অভিযোগের সংখ্যা এবং জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

বক্তারা বলেন, জমি মানুষের জীবিকা, বসতভিটা ও ভবিষ্যতের অন্যতম অবলম্বন। তাই জমি দখলের অভিযোগগুলো অবহেলা না করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। প্রকৃত মালিকদের কাগজপত্র যাচাই করে তাদের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দখল ও জবরদখলের অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের কাছে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত, জমির মালিকানা যাচাই এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

জনপ্রিয়

অর্থাভাবে থমকেছে চিকিৎসা, স্কুলে ফিরতে চায় হিয়া মনি

সুন্দরগঞ্জে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: ০৮:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি দখল ও জবরদখলের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। বিভিন্ন মৌজায় সাধারণ মানুষের জমি প্রভাব খাটিয়ে দখলে রাখার অভিযোগ এনে এসব ঘটনার তদন্ত ও দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাজার চর আদর্শ বাজারে কাপাসিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও ভুক্তভোগী জনসাধারণের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ জিয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম, ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জু মিয়া, আব্দুর রশিদ মণ্ডল, আলিম উদ্দিন, বদিউজ্জামানসহ স্থানীয় জনসাধারণ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের জমি দখল ও জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে অনেক মানুষ নিজেদের জমির দখল ও মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন।

মানববন্ধনে কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাজচরের পূর্ব পাশে বসবাসকারী আশরাফ আলী ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মৌজায় প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি দখলে রাখার অভিযোগ তোলা হয়। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী একটি মহলের সহায়তায় লাঠিয়াল বাহিনী ব্যবহার করে এসব জমি দখলে রাখা হয়েছে। এতে প্রকৃত মালিকরা নিজেদের জমি ভোগদখল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বক্তারা আরও দাবি করেন, আশরাফ আলী ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলা ও অভিযোগ হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৫টি মামলা চলমান রয়েছে বলেও মানববন্ধনে দাবি করা হয়। তবে মামলা ও অভিযোগের সংখ্যা এবং জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

বক্তারা বলেন, জমি মানুষের জীবিকা, বসতভিটা ও ভবিষ্যতের অন্যতম অবলম্বন। তাই জমি দখলের অভিযোগগুলো অবহেলা না করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। প্রকৃত মালিকদের কাগজপত্র যাচাই করে তাদের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দখল ও জবরদখলের অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের কাছে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত, জমির মালিকানা যাচাই এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।