রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তুচ্ছ ঘটনায় রাজবাড়ী বালিয়াকান্দি কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের পারুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ীর জমির সীমানা বিরোধে হামলায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজকে সকালে তিনি মারা যান। নিহত শিক্ষার্থীর নাম সৈকত মাতুব্বর (২১)। তাঁর বাবা শুশান্ত মাতুব্বর গ্রামপুলিশ সদস্য। সৈকত বালিয়াকান্দি সরকারি কলেজের ভুগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। হামলায় সৈকতের চাচা প্রফুল্ল মাতুব্বর ও চাচার স্ত্রী শান্তি লতা মাতুব্বর আহত হয়েছে। বসতবাড়ীর সীমানা নিয়ে সৈকতদের সঙ্গে তার চাচা শশা মাতুব্বরদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। সৈকতের পরিবারের সদস্যরা শশাদের জমির উপর দিয়ে যাতায়াত করে। কয়েক দিন আগে শশা মাতুব্বররা পাঠকাঠির বেড়াদিয়ে যাতায়াতের পথ আটকে দেয়। গতকাল বেড়ার পাশে বসে সৈকতের পরিবারের সদস্যরা পেয়াজ কাটছিলো ( খেত থেকে তুলে আনার পর)। পেঁয়াজের উচ্ছিষ্ট বেড়ার পাশে ফেলে রাখে।এতে সেখানে স্তুপ তৈরী হয়।এনিয়ে বুধবার বিকেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় একপর্যায়ে সৈকতের মাথায় পিয়াজ তোলার লাঙ্গল দিয়ে আঘাত করে। এরপর তাকে লোহার রডদিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে এবং সৈকতের চাচা ও চাচিকে আহত করা হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে সৈকতের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তাঁর শারিরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ভোরে তাকে নেওয়ার পথে মারা যায়। ১১টার দিকে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়।দুপুর ১২ টার দিকে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়।এঘটনার পর থেকে শশামাতুব্বরের পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। নিহতর বাবা সুশান্ত মাতুব্বর সাংবাদিকদের বলেন, আমার তিন সন্তান, দুই ছেলে ও এক মেয়ে। অনেক আশা নিয়ে ছেলেকে পরালেখা করাচ্ছিলাম। আমার ছেলেকে অন্যায় ভাবে পিটিয়ে হত্যাকরে। এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি

জনপ্রিয়

তুচ্ছ ঘটনায় রাজবাড়ী বালিয়াকান্দি কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশের সময়: ১০:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ ২০২১

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের পারুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ীর জমির সীমানা বিরোধে হামলায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজকে সকালে তিনি মারা যান। নিহত শিক্ষার্থীর নাম সৈকত মাতুব্বর (২১)। তাঁর বাবা শুশান্ত মাতুব্বর গ্রামপুলিশ সদস্য। সৈকত বালিয়াকান্দি সরকারি কলেজের ভুগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। হামলায় সৈকতের চাচা প্রফুল্ল মাতুব্বর ও চাচার স্ত্রী শান্তি লতা মাতুব্বর আহত হয়েছে। বসতবাড়ীর সীমানা নিয়ে সৈকতদের সঙ্গে তার চাচা শশা মাতুব্বরদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। সৈকতের পরিবারের সদস্যরা শশাদের জমির উপর দিয়ে যাতায়াত করে। কয়েক দিন আগে শশা মাতুব্বররা পাঠকাঠির বেড়াদিয়ে যাতায়াতের পথ আটকে দেয়। গতকাল বেড়ার পাশে বসে সৈকতের পরিবারের সদস্যরা পেয়াজ কাটছিলো ( খেত থেকে তুলে আনার পর)। পেঁয়াজের উচ্ছিষ্ট বেড়ার পাশে ফেলে রাখে।এতে সেখানে স্তুপ তৈরী হয়।এনিয়ে বুধবার বিকেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় একপর্যায়ে সৈকতের মাথায় পিয়াজ তোলার লাঙ্গল দিয়ে আঘাত করে। এরপর তাকে লোহার রডদিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে এবং সৈকতের চাচা ও চাচিকে আহত করা হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে সৈকতের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তাঁর শারিরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ভোরে তাকে নেওয়ার পথে মারা যায়। ১১টার দিকে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়।দুপুর ১২ টার দিকে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়।এঘটনার পর থেকে শশামাতুব্বরের পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। নিহতর বাবা সুশান্ত মাতুব্বর সাংবাদিকদের বলেন, আমার তিন সন্তান, দুই ছেলে ও এক মেয়ে। অনেক আশা নিয়ে ছেলেকে পরালেখা করাচ্ছিলাম। আমার ছেলেকে অন্যায় ভাবে পিটিয়ে হত্যাকরে। এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি