রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীরের কপালে জোটেনি হুইলচেয়ার

শারিরীক প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গার আলম (৩৫)। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের হরিনাথপুর গ্রামের মৃত হেলাল মিয়ার ছেলে। জন্মলগ্ন থেকেই জাহাঙ্গীর আলম শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও, আজও তার কপালে জোটেনি হুইল চেয়ার। ফলে চলাচলে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাকে।

জানা যায়,  জাহাঙ্গীর আলম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। চারটি হাত-পা  তার বিকলাঙ্গ। পা দুটি দিয়ে কোনোভাবেই হাঁটা চলা করতে পারে না। পায়ের অধিকাংশই বাঁকা। হুইলচেয়ার না থাকায় হাতে লাটি ধরে ও আঙ্গুলের উপর ভর করে মাটি ঘেঁষে চলাচল করে সে। চলাচল করতে খুব কষ্ট হয় তার। মাটি ঘেঁষে চলাচল করায় হাত ও পায়ে ফোসকা পড়েছে।

প্রতিবেশী বাবলু মিয়া জানান, জাহাঙ্গীর আলম গরীব অসহায় পরিবারের ছেলে। তার বাবা মারা যাওয়ার পর সে আরো অসহায় হয়ে পড়েছে। ওর দিকে তাকালে খুব কষ্ট লাগে। কত কষ্ট করে চলাচল করে জাহাঙ্গীর। তার একটি হুইলচেয়ার খুব দরকার।

প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীর আলম বলেন,  স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারিনা। লাঠিতে ভর করে চলতে অনেক কষ্ট হয়। কেউ যদি একটা হুইলচেয়ার দিতো, তাহলে    কিছুটা স্বাভাবিক চলাচল করতে পারতাম।

হরিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রুহুল আমিন কবির রুশো জানান, জাহাঙ্গীর আলম জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। হাঁটতে পারে না। সরকারি ভাতা সে পায়। তার জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করা হবে।

 

 

জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীরের কপালে জোটেনি হুইলচেয়ার

প্রকাশের সময়: ০৬:২০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১

শারিরীক প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গার আলম (৩৫)। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের হরিনাথপুর গ্রামের মৃত হেলাল মিয়ার ছেলে। জন্মলগ্ন থেকেই জাহাঙ্গীর আলম শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও, আজও তার কপালে জোটেনি হুইল চেয়ার। ফলে চলাচলে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাকে।

জানা যায়,  জাহাঙ্গীর আলম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। চারটি হাত-পা  তার বিকলাঙ্গ। পা দুটি দিয়ে কোনোভাবেই হাঁটা চলা করতে পারে না। পায়ের অধিকাংশই বাঁকা। হুইলচেয়ার না থাকায় হাতে লাটি ধরে ও আঙ্গুলের উপর ভর করে মাটি ঘেঁষে চলাচল করে সে। চলাচল করতে খুব কষ্ট হয় তার। মাটি ঘেঁষে চলাচল করায় হাত ও পায়ে ফোসকা পড়েছে।

প্রতিবেশী বাবলু মিয়া জানান, জাহাঙ্গীর আলম গরীব অসহায় পরিবারের ছেলে। তার বাবা মারা যাওয়ার পর সে আরো অসহায় হয়ে পড়েছে। ওর দিকে তাকালে খুব কষ্ট লাগে। কত কষ্ট করে চলাচল করে জাহাঙ্গীর। তার একটি হুইলচেয়ার খুব দরকার।

প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীর আলম বলেন,  স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারিনা। লাঠিতে ভর করে চলতে অনেক কষ্ট হয়। কেউ যদি একটা হুইলচেয়ার দিতো, তাহলে    কিছুটা স্বাভাবিক চলাচল করতে পারতাম।

হরিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রুহুল আমিন কবির রুশো জানান, জাহাঙ্গীর আলম জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। হাঁটতে পারে না। সরকারি ভাতা সে পায়। তার জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করা হবে।