দেড় বছর আগে আঁখি আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় আরিফ বেপারীর। ওই সময় নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র দেয় আঁখির পরিবার। কিন্তু আরিফের চাহিদা দিনকে দিন বাড়তে থাকে। যৌতুকের জন্য চাপ দেয় আঁখিকে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় ওই গৃহবধূকে। গত এক সপ্তাহে যার মাত্রা আরও বেড়ে যায়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বিষয়টি নিজ পরিবার ও ওই এলাকার মুরব্বীদের জানান আঁখি। তাতেই ক্ষিপ্ত হয় আরিফ। শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আঁখিকে। হত্যার পর লাশ নিজ ঘরে ঝুলিয়ে রাখে আরিফ। এমনটিই লেখা ছিল মাদারীপুরের গৃহবধূ ‘আঁখিকে হত্যার’ ঘটনায় দেয়া লিখিত অভিযোগ পত্রে।
শুক্রবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মাদারীপুরের সদর উপজেলার টুবিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আরিফকে আটক করেছে পুলিশ।
আরিফ ওই গ্রামের মৃত হায়দার বেপারীর ছেলে। আর মারা যাওয়া আঁখি একই গ্রামের কালাই ফকিরের মেয়ে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, যৌতুক ও মুরব্বিদের বিচার দেয়ায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে আরিফ। আর এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে এলাকাবাসী।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) আব্দুল হান্নান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকেই থেকে আরিফকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, মাদারীপুর 
















