গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার শহরের শপিংমল ঈদ মার্কেটে ক্রেতাদের ঢল নামলেও আতর-টুপির দোকানগুলোতে তেমনটা নেই ভির। ফলে অলস সময় পার করছে তারা।
মঙ্গলবার (১১ মে) সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ গেটের অপজিটে সাদুল্লাপুর-গাইবান্ধা সড়কের পাশের ২ টি দোকানে টুপি-আতরের পসরা সাজিয়ে রাখলেও সেখানে দেখা যায় ঢিলেঢালা কেনা-বেচা। মাঝে মাঝে শিশুদের জন্য রঙিন টুপি কিনতে ওই দোকানগুলোর দিকে এগিয়ে আসছেন মহিলা ক্রেতারা।
টুপি-আতরের দোকানি সাইফুল ইসলাম জানান, ঈদ মার্কেটে ক্রেতারা কাপড়, জুতা, কসমেটিকস কিনতেই ব্যস্ত। এখন পর্যন্ত শিশুদের রঙিন টুপি বেশি বিক্রি হয়েছে। শিশুদের টুপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। আতর বিক্রি একেবারেই কম। বিগত বছরগুলোতে ঈদের আগে প্রত্যেক দিন প্রায় ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার টুপি-আতর, সুরমা বিক্রি করা যেত। এখন প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি ১ থেকে ২ হাজার টাকা টুপি-আতর বিক্রি করা যাচ্ছে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঈদের এক দুদিন আগে টুপি-আতরের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় জমবে ব্যাপকহারে। ক্রেতাদের সবকিছু কেনা হয়ে গেলে শেষমুহুর্তে টুপি-আতর কেনার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে। দু দিন ব্যবসায় করেও আমরা ভালো লাভ করতে পারবো।
আরেক দোকানি বেলায়েত মিয়া বলেন, অল্প বিস্তর বেচাকেনার মধ্যও কবির ব্রান্ডের টুপি বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ ব্রান্ডের টুপি মানভেদে ৭০ থেকে ১৫০ টাকা প্রতি পিস বিক্রি করা হয়। ক্রেতাদের দ্বিতীয় পছন্দের তালিকায় রয়েছে ফরহাদ ব্রান্ডের টুপি। এ টুপির প্রতি পিস দাম ৫০ টাকা। এছাড়া কাঁচা বেলি, জেসমিন, গোলে লায়লা, ফান্টাশিয়া, জান্নাতুলফেরদৌস, ম্যাগনেট, সালমা আতরের মধ্য ক্রেতাদের নিকট ফান্টাশিয়া ও জান্নাতুল ফেরদৌস আতরের চাহিদা বেশি।
শামীম সরদার, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
















