মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্নহত্যা

চিরিরবন্দরে গলায় ফাঁস দিয়ে হাবিবা আক্তার ওরফে হিমু (১২) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী আত্নহত্যা করেছে। এ  ঘটনাটি সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় নশরতপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নশরতপুর গ্রামের বড়ভিটায় ঘটেছে। নিহত হিমু ওই গ্রামের হামিদুল হকের মেয়ে এবং উত্তর নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

জানা গেছে, হিমুকে তার মা তাজমিরা বেগম স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বকাঝকা করে এবং বাড়ির অন্যান্য কাজ করতে থাকে। এরমধ্যে হিমু তার শোয়ারঘরে বাঁশের আড়ার সাথে পড়নের ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করে। এ ঘটনা টের পেয়ে বাড়ির অন্যান্য লোকজন সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের নিকট নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

উত্তর নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সাপিয়ার রহমান জানান, হিমু মোটামুটি ভাল ছাত্রী ছিল। তার এ মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। শাহিন আলম নামে তার চাচা হিমুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্নহত্যা

প্রকাশের সময়: ১০:০৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ নভেম্বর ২০২১

চিরিরবন্দরে গলায় ফাঁস দিয়ে হাবিবা আক্তার ওরফে হিমু (১২) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী আত্নহত্যা করেছে। এ  ঘটনাটি সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় নশরতপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নশরতপুর গ্রামের বড়ভিটায় ঘটেছে। নিহত হিমু ওই গ্রামের হামিদুল হকের মেয়ে এবং উত্তর নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

জানা গেছে, হিমুকে তার মা তাজমিরা বেগম স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বকাঝকা করে এবং বাড়ির অন্যান্য কাজ করতে থাকে। এরমধ্যে হিমু তার শোয়ারঘরে বাঁশের আড়ার সাথে পড়নের ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করে। এ ঘটনা টের পেয়ে বাড়ির অন্যান্য লোকজন সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের নিকট নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

উত্তর নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সাপিয়ার রহমান জানান, হিমু মোটামুটি ভাল ছাত্রী ছিল। তার এ মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। শাহিন আলম নামে তার চাচা হিমুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।