মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অদ্ভুত আকৃতির কন্যা সন্তানের জন্ম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মাথার খুলি ও চক্ষুবিহীন শারীরিক নানা অঙ্গ বিকৃত অদ্ভুত আকৃতির একটি কন্যা সন্তান ভুমিষ্ট হয়েছে।

রোববার (২১ নভেম্বর) সকাল থেকে এ সন্তানটি দেখার জন্য উৎসুক মানুষেরা ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এ পর্যন্ত নবজাতক ও প্রসূতি মা সুস্থ আছেন।

এর আগে শনিবার (২০ নভেম্বর) উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম খামার দশলিয়া গ্রামের খলিল মিয়ার মেয়ে খোতেজা বেগম তার বাবার বাড়িতে স্বাভাবিক ভাবে ওই নবজাতক কন্যার জন্ম দেন। খোতেজা বেগম পার্শ্ববর্তী নলডাঙ্গা কলেজপাড়ার সুমন মিয়ার স্ত্রী।

স্বজনরা জানায় ,বাচ্ছা প্রসবের জন্য খোতেজা বেগম বেশ কিছুদিন ধরে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এর আগে তার আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। এতে নবজাতকের মাথায় ও মুখমন্ডলে বড় ধরনের সমস্যা আছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন। নবজাতকটি ভুমিষ্ট হওয়ার পর দেখা যায় তার চোখ, মুখ, মাথার খুলি ও হাত পাঁ অস্বাভাবিক আকৃতির।

এদিকে এখবরটি মুহুর্তের মধ্যে জানাজানি হলে নবজাতক এ সন্তানটিকে এক নজর দেখতে শতশত নারী-পুরুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকে।

একই এলাকার ইদন মিয়া বলেন, এমন সন্তান আল্লাহ যেন কারো ঘরে না দেয়। এতে বাবা মা ও স্বজনদের কি কষ্ট হচ্ছে। তা তারাই বুঝতেছেন।

এই দম্পতি বলেন, এটি আমাদের প্রথম সন্তান। গর্ভের এই সন্তানকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন আর আশা ছিল। কিন্তু আল্লাহ আমাদেরকে এমন সন্তান দিবে কখনও ভাবতে পারিনি।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, বিধাতার লীলা বুঝা বড় দায়। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে অদ্ভুত আকৃতির কন্যা সন্তানের জন্ম

প্রকাশের সময়: ০২:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মাথার খুলি ও চক্ষুবিহীন শারীরিক নানা অঙ্গ বিকৃত অদ্ভুত আকৃতির একটি কন্যা সন্তান ভুমিষ্ট হয়েছে।

রোববার (২১ নভেম্বর) সকাল থেকে এ সন্তানটি দেখার জন্য উৎসুক মানুষেরা ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এ পর্যন্ত নবজাতক ও প্রসূতি মা সুস্থ আছেন।

এর আগে শনিবার (২০ নভেম্বর) উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম খামার দশলিয়া গ্রামের খলিল মিয়ার মেয়ে খোতেজা বেগম তার বাবার বাড়িতে স্বাভাবিক ভাবে ওই নবজাতক কন্যার জন্ম দেন। খোতেজা বেগম পার্শ্ববর্তী নলডাঙ্গা কলেজপাড়ার সুমন মিয়ার স্ত্রী।

স্বজনরা জানায় ,বাচ্ছা প্রসবের জন্য খোতেজা বেগম বেশ কিছুদিন ধরে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এর আগে তার আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। এতে নবজাতকের মাথায় ও মুখমন্ডলে বড় ধরনের সমস্যা আছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন। নবজাতকটি ভুমিষ্ট হওয়ার পর দেখা যায় তার চোখ, মুখ, মাথার খুলি ও হাত পাঁ অস্বাভাবিক আকৃতির।

এদিকে এখবরটি মুহুর্তের মধ্যে জানাজানি হলে নবজাতক এ সন্তানটিকে এক নজর দেখতে শতশত নারী-পুরুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকে।

একই এলাকার ইদন মিয়া বলেন, এমন সন্তান আল্লাহ যেন কারো ঘরে না দেয়। এতে বাবা মা ও স্বজনদের কি কষ্ট হচ্ছে। তা তারাই বুঝতেছেন।

এই দম্পতি বলেন, এটি আমাদের প্রথম সন্তান। গর্ভের এই সন্তানকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন আর আশা ছিল। কিন্তু আল্লাহ আমাদেরকে এমন সন্তান দিবে কখনও ভাবতে পারিনি।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, বিধাতার লীলা বুঝা বড় দায়। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।