বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের সেবক হতে চান তরুণ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী টিটু মিয়া

আগামী ৫ জানুয়ারী গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিন্দ›িদ্বতার লক্ষে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন তরুন প্রার্থী মো. টিটু মিয়া। টিটু মিয়া উদাখালী ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের আলহাজ্ব ফজল উদ্দিনের ছেলে।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন এলাকার সজ্জন হিসেবে পরিচিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ টিটু মিয়া। দিনরাত এক করে তিনি ছুটে চলছেন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি। ফুলছড়ি উপজেলা সদরের উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভের ব্যাপারে আশাবাদী টিটু মিয়া বলেন, ইউপি নির্বাচন সাধারণত অঞ্চল ভেদে হয়ে থাকে। বৃহত্তর উদাখালী এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে প্রায় ৭ হাজার ভোট আছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রতীয়মান হয়েছে যে, এই এলাকার ভোটাররা বাহিরের কোন প্রার্থীকে ভোট দিতে চায় না। তারা নিজ এলাকার প্রার্থীকেই ভোট দেয়। সেদিক থেকে আমার পারিবারিক ঐতিহ্য বিবেচনায় এবার ভোটাররা আমাকে আশ্বস্ত করেছে তারা একজোট হয়ে আমাকে ভোট দিবে।

তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে জনগণের সেবক হয়ে ৯টি ওয়ার্ডে নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাবো। উদাখালী ইউনিয়নকে জেলার মধ্যে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো। আমি বয়সে তরুণ তাই ইউনিয়নের নবীন ভোটাররা আমাকে সমর্থন করবে।

 

ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কবির

জনগণের সেবক হতে চান তরুণ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী টিটু মিয়া

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

আগামী ৫ জানুয়ারী গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিন্দ›িদ্বতার লক্ষে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন তরুন প্রার্থী মো. টিটু মিয়া। টিটু মিয়া উদাখালী ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের আলহাজ্ব ফজল উদ্দিনের ছেলে।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন এলাকার সজ্জন হিসেবে পরিচিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ টিটু মিয়া। দিনরাত এক করে তিনি ছুটে চলছেন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি। ফুলছড়ি উপজেলা সদরের উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভের ব্যাপারে আশাবাদী টিটু মিয়া বলেন, ইউপি নির্বাচন সাধারণত অঞ্চল ভেদে হয়ে থাকে। বৃহত্তর উদাখালী এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে প্রায় ৭ হাজার ভোট আছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রতীয়মান হয়েছে যে, এই এলাকার ভোটাররা বাহিরের কোন প্রার্থীকে ভোট দিতে চায় না। তারা নিজ এলাকার প্রার্থীকেই ভোট দেয়। সেদিক থেকে আমার পারিবারিক ঐতিহ্য বিবেচনায় এবার ভোটাররা আমাকে আশ্বস্ত করেছে তারা একজোট হয়ে আমাকে ভোট দিবে।

তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে জনগণের সেবক হয়ে ৯টি ওয়ার্ডে নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাবো। উদাখালী ইউনিয়নকে জেলার মধ্যে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো। আমি বয়সে তরুণ তাই ইউনিয়নের নবীন ভোটাররা আমাকে সমর্থন করবে।