শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাড়ে ৩ হাজার রুশ সেনা নিহত: ইউক্রেন

ইউক্রেনে চলমান অভিযানে সাড়ে তিন হাজারের বেশি রুশ সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে কিয়েভ। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে এ দাবি করেছে। রাশিয়া অবশ্য এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে তারা ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাপোরিঝিয়ায় মেলিটোপল শহর দখলের দাবি করেছে। রাশিয়ার আহ্বানে ইউক্রেনের আত্মসমর্পণের বিষয়ে পাল্টাপাল্টি খবর শোনা যাচ্ছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজে বলা হয়, কিয়েভে আগ্রাসন চালানো রুশ সেনাদের মধ্যে সাড়ে তিন হাজারের বেশি সদস্য নিহত হয়েছে, বন্দি করা হয়েছে অন্তত ২০০ জনকে।
এতে বলা হয়, ১৪টি বিমান, ৪টি হেলিকপ্টার এবং ১০২টি রুশ ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইলের সাহায্যে তারা রাশিয়ার সেনাদের দুটি গাড়ি, দুটি গোলাবারুদের ট্রাক ও একটি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। কোনো সংবাদমাধ্যম অবশ্য এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। রাশিয়াও এসব বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বারবার হামলার পরেও ইউক্রেন এখন পর্যন্ত মূল শহরগুলো ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়ছে রুশ সেনারা।
আত্মসমর্পণের অভিযোগ নাকচ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আত্মসমর্পণের অভিযোগ নাকচ করেছেন। টুইটারে একটি ছোট ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, রাশিয়ার সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য সেনাবাহিনীকে আহ্বান জানিয়েছেন বলে যে গুজব ছড়িয়েছে, তা মোকাবিলায় তিনি কিয়েভের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি ভিডিও বার্তায় তাকে বলতে দেখা যায়, ‘অনলাইনে অনেক গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, আমি নাকি আমাদের সেনাবাহিনীকে অস্ত্র জমা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছি। আমি এখানে আছি। আমরা আমাদের অস্ত্র সমর্পণ করব না। আমাদের দেশকে আমরা রক্ষা করব।
এর আগে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারির গতকাল শনিবারের বিবৃতির বরাত দিয়ে তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের শর্তে রাজি জেলেনস্কি। বৈঠকের স্থান ও সময় নিয়ে আলোচনা চলছে। যত তাড়াতাড়ি আলোচনা শুরু হবে, তত দ্রুত স্বাভাবিক জীবন শুরু করা যাবে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে পূর্ব ইউরোপে রুশভাষীদের ওপর ইউক্রেনীয় সেনাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশটিতে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন। তার ঘোষণার পরপরই রুশ সেনারা উত্তর-পূর্ব ও ক্রিমিয়া দিয়ে ইউক্রেনে প্রবেশ করে। অভিযানের তৃতীয় দিনে তারা রাজধানী কিয়েভে পৌঁছে যায়। সর্বশেষ তথ্যমতে, কিয়েভ বাঁচাতে লড়ছিল ইউক্রেনের সেনারা। সুত্রঃ দৈনিক বাংলা
জনপ্রিয়

জিম্মি ইউএনওকে সেনাবাহিনীর উদ্ধার মহড়া

সাড়ে ৩ হাজার রুশ সেনা নিহত: ইউক্রেন

প্রকাশের সময়: ০৫:৫৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
ইউক্রেনে চলমান অভিযানে সাড়ে তিন হাজারের বেশি রুশ সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে কিয়েভ। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে এ দাবি করেছে। রাশিয়া অবশ্য এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে তারা ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাপোরিঝিয়ায় মেলিটোপল শহর দখলের দাবি করেছে। রাশিয়ার আহ্বানে ইউক্রেনের আত্মসমর্পণের বিষয়ে পাল্টাপাল্টি খবর শোনা যাচ্ছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজে বলা হয়, কিয়েভে আগ্রাসন চালানো রুশ সেনাদের মধ্যে সাড়ে তিন হাজারের বেশি সদস্য নিহত হয়েছে, বন্দি করা হয়েছে অন্তত ২০০ জনকে।
এতে বলা হয়, ১৪টি বিমান, ৪টি হেলিকপ্টার এবং ১০২টি রুশ ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইলের সাহায্যে তারা রাশিয়ার সেনাদের দুটি গাড়ি, দুটি গোলাবারুদের ট্রাক ও একটি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। কোনো সংবাদমাধ্যম অবশ্য এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। রাশিয়াও এসব বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বারবার হামলার পরেও ইউক্রেন এখন পর্যন্ত মূল শহরগুলো ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়ছে রুশ সেনারা।
আত্মসমর্পণের অভিযোগ নাকচ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আত্মসমর্পণের অভিযোগ নাকচ করেছেন। টুইটারে একটি ছোট ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, রাশিয়ার সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য সেনাবাহিনীকে আহ্বান জানিয়েছেন বলে যে গুজব ছড়িয়েছে, তা মোকাবিলায় তিনি কিয়েভের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি ভিডিও বার্তায় তাকে বলতে দেখা যায়, ‘অনলাইনে অনেক গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, আমি নাকি আমাদের সেনাবাহিনীকে অস্ত্র জমা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছি। আমি এখানে আছি। আমরা আমাদের অস্ত্র সমর্পণ করব না। আমাদের দেশকে আমরা রক্ষা করব।
এর আগে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারির গতকাল শনিবারের বিবৃতির বরাত দিয়ে তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের শর্তে রাজি জেলেনস্কি। বৈঠকের স্থান ও সময় নিয়ে আলোচনা চলছে। যত তাড়াতাড়ি আলোচনা শুরু হবে, তত দ্রুত স্বাভাবিক জীবন শুরু করা যাবে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে পূর্ব ইউরোপে রুশভাষীদের ওপর ইউক্রেনীয় সেনাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশটিতে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন। তার ঘোষণার পরপরই রুশ সেনারা উত্তর-পূর্ব ও ক্রিমিয়া দিয়ে ইউক্রেনে প্রবেশ করে। অভিযানের তৃতীয় দিনে তারা রাজধানী কিয়েভে পৌঁছে যায়। সর্বশেষ তথ্যমতে, কিয়েভ বাঁচাতে লড়ছিল ইউক্রেনের সেনারা। সুত্রঃ দৈনিক বাংলা