শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চেক জালিয়াতি মামলায় হিলি হাসপাতাল কর্মীর এক বছরের কারাদণ্ড 

চেক জালিয়াতি মামলায় দিনাজপুরের হিলি হাসপাতালের হাফিজুর রহমান নামে একজন রান্নাকর্মী (কুক) কে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন দিনাজপুর জেলা বিজ্ঞ আদালত (মামলা নং ৪৭৪/১৩)।
এদিকে অসুস্থতার কথা বলে হাসপাতাল থেকে একমাসের ছুটি নিয়েছেন এই হাসপাতাল কর্মী।
গত ২ মার্চ বুধবার চেক জালিয়াতি মামলায় দিনাজপুর বিজ্ঞ আদালত হিলি হাসপাতাল কর্মী হাফিজুর রহমানকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে জেল-হাজতে পাঠান।
মামলা সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদী হিলির চৌধুরী ডাঙ্গাপাড়া দলিল উদ্দিন সরকার ও বিবাদী হিলির ডাঙ্গাপাড়া বাজারের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান উভয়ে তারা ধান ব্যবসায়ী। ২০১৩ সালের ২৭ মার্চে দলিল উদ্দিন সরকারের নিকট থেকে হাসপাতাল কর্মী হাফিজুর রহমান ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ধান ক্রয় করেন। এসময় হাফিজুর রহমান নগদ টাকা না দিয়ে সাড়ে ৭ লাখ টাকার তার সাক্ষরিত বিরামপুর ইসামী ব্যাংক শাখা একটি চেক তাকে প্রদান করেন। পরের দিন ২৮ মার্চ বিরামপুর ইসলামী ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে সে জানতে পারে তা একাউন্টে হাফিজুর রহমানের কোন টাকা নেই। এই নিয়ে বাদী দলিল উদ্দিন ঐব্যাংকে ৪ বার চেকটি প্রদান করেন। পরবর্তিতে তাকে ঐ চেকের টাকা প্রদানের নিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয় হাফিজুর রহমানকে। পরে কয়েক বার নিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও টাকা পরিশোধ করেন না তিনি। এমনাবস্থায় বাদী বিশ্বাস করে তার সাড়ে ৭ লাখ টাকা বিবাদী হাফিজুর রহমান আত্মসাৎ করবেন। শেষে ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর হাসপাতাল কর্মী হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র বাদী হয়ে চেকের মামলা হয়।
দীর্ঘদিন মামলার প্রক্রিয়া  শেষে ২০২২ সালের ২ মার্চ হাফিজুর রহমানকে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন দিনাজপুর আদালত।
এদিকে হিলি হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, হাফিজুর রহমানের পরিবর্তে তার মেয়ে তার কর্মস্থলে কর্মরত আছেন। আবার হাফিজুর রহমান অসুস্থতার কথা বলে হাসপাতালে একমাসের ছুটির আবেদন দিয়ে ২ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন তিনি।
চেক জালিয়াতির কারণে হাফিজুর রহমান জেলখানায়, কিন্তু তাকে অসুস্থতার কথায় একমাসের ছুটি কেন দিয়েছেন, জানতে চাইলে হিলি হাসপাতালের কর্মকর্তা (টি, এইচ, ও) ডঃ শ্যামল কুমার দাস বলেন, আমরা হাফিজুর রহমানের চেক জালিয়াতির মামলা আছে সেটি অবগত ছিলাম না। এবিষয়ে আজ অবগত হলাম এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টি জানিয়েছি। অসুস্থতার অজুহাতে একমাসের ছুটি নিয়েছেন। তার মিথ্যা ছুটির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
জনপ্রিয়

চেক জালিয়াতি মামলায় হিলি হাসপাতাল কর্মীর এক বছরের কারাদণ্ড 

প্রকাশের সময়: ০৩:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২
চেক জালিয়াতি মামলায় দিনাজপুরের হিলি হাসপাতালের হাফিজুর রহমান নামে একজন রান্নাকর্মী (কুক) কে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন দিনাজপুর জেলা বিজ্ঞ আদালত (মামলা নং ৪৭৪/১৩)।
এদিকে অসুস্থতার কথা বলে হাসপাতাল থেকে একমাসের ছুটি নিয়েছেন এই হাসপাতাল কর্মী।
গত ২ মার্চ বুধবার চেক জালিয়াতি মামলায় দিনাজপুর বিজ্ঞ আদালত হিলি হাসপাতাল কর্মী হাফিজুর রহমানকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে জেল-হাজতে পাঠান।
মামলা সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদী হিলির চৌধুরী ডাঙ্গাপাড়া দলিল উদ্দিন সরকার ও বিবাদী হিলির ডাঙ্গাপাড়া বাজারের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান উভয়ে তারা ধান ব্যবসায়ী। ২০১৩ সালের ২৭ মার্চে দলিল উদ্দিন সরকারের নিকট থেকে হাসপাতাল কর্মী হাফিজুর রহমান ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ধান ক্রয় করেন। এসময় হাফিজুর রহমান নগদ টাকা না দিয়ে সাড়ে ৭ লাখ টাকার তার সাক্ষরিত বিরামপুর ইসামী ব্যাংক শাখা একটি চেক তাকে প্রদান করেন। পরের দিন ২৮ মার্চ বিরামপুর ইসলামী ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে সে জানতে পারে তা একাউন্টে হাফিজুর রহমানের কোন টাকা নেই। এই নিয়ে বাদী দলিল উদ্দিন ঐব্যাংকে ৪ বার চেকটি প্রদান করেন। পরবর্তিতে তাকে ঐ চেকের টাকা প্রদানের নিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয় হাফিজুর রহমানকে। পরে কয়েক বার নিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও টাকা পরিশোধ করেন না তিনি। এমনাবস্থায় বাদী বিশ্বাস করে তার সাড়ে ৭ লাখ টাকা বিবাদী হাফিজুর রহমান আত্মসাৎ করবেন। শেষে ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর হাসপাতাল কর্মী হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র বাদী হয়ে চেকের মামলা হয়।
দীর্ঘদিন মামলার প্রক্রিয়া  শেষে ২০২২ সালের ২ মার্চ হাফিজুর রহমানকে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন দিনাজপুর আদালত।
এদিকে হিলি হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, হাফিজুর রহমানের পরিবর্তে তার মেয়ে তার কর্মস্থলে কর্মরত আছেন। আবার হাফিজুর রহমান অসুস্থতার কথা বলে হাসপাতালে একমাসের ছুটির আবেদন দিয়ে ২ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন তিনি।
চেক জালিয়াতির কারণে হাফিজুর রহমান জেলখানায়, কিন্তু তাকে অসুস্থতার কথায় একমাসের ছুটি কেন দিয়েছেন, জানতে চাইলে হিলি হাসপাতালের কর্মকর্তা (টি, এইচ, ও) ডঃ শ্যামল কুমার দাস বলেন, আমরা হাফিজুর রহমানের চেক জালিয়াতির মামলা আছে সেটি অবগত ছিলাম না। এবিষয়ে আজ অবগত হলাম এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টি জানিয়েছি। অসুস্থতার অজুহাতে একমাসের ছুটি নিয়েছেন। তার মিথ্যা ছুটির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।