বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থ ও কারাদণ্ড

বগুড়ার নন্দীগ্রামে এক অটো রাইস মিলের ম্যানেজারকে জরিমানা ও তিন মাদকসেবনকারীকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকারের ভ্রাম্যমাণ আদালত নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা এলাকায় মেসার্স মায়া মনির অটো রাইস মিলে অভিযান চালায়। সেখানে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন লঙ্ঘন করে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিকের মোড়কে চাল সংরক্ষণ ও মোড়কজাতের অপরাধ করায় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে রণবাঘা এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে উক্ত অটো রাইস মিলের ম্যানেজার আনিছুর রহমান বাদল (৪৪) কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় প্রসিকিউটর ছিলেন পাট অধিদপ্তর বগুড়ার মুখ্য পরিদর্শক মহিউদ্দিন আহম্মদ ভুঁইয়া। সহযোগিতায় ছিলেন নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ।

এছাড়াও একইদিন বিকেলে রণবাঘা এলাকায় তিনি আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে গাঁজা সেবনের দায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন মাদক সেবনকারীকে ১৫দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলার নামুইট গ্রামের মৃত জাহেদ আলীর ছেলে মোজাহার আলী (৪৬), রণবাঘা এলাকার জামালউদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৪৮) ও কালিকাপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৬)।

এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় প্রসিকিউটর ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়ার মুখ্য পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, সরকার পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি ও পরিবেশ সুরক্ষায় পাটের মোড়ক বাধ্যতামূলক করেছে। আইন অমান্য করে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করছে। গাঁজা বা যেকোনো মাদক সেবন ও ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করা হবে।

জনপ্রিয়

নন্দীগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থ ও কারাদণ্ড

প্রকাশের সময়: ০৮:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বগুড়ার নন্দীগ্রামে এক অটো রাইস মিলের ম্যানেজারকে জরিমানা ও তিন মাদকসেবনকারীকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকারের ভ্রাম্যমাণ আদালত নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা এলাকায় মেসার্স মায়া মনির অটো রাইস মিলে অভিযান চালায়। সেখানে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন লঙ্ঘন করে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিকের মোড়কে চাল সংরক্ষণ ও মোড়কজাতের অপরাধ করায় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে রণবাঘা এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে উক্ত অটো রাইস মিলের ম্যানেজার আনিছুর রহমান বাদল (৪৪) কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় প্রসিকিউটর ছিলেন পাট অধিদপ্তর বগুড়ার মুখ্য পরিদর্শক মহিউদ্দিন আহম্মদ ভুঁইয়া। সহযোগিতায় ছিলেন নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ।

এছাড়াও একইদিন বিকেলে রণবাঘা এলাকায় তিনি আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে গাঁজা সেবনের দায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন মাদক সেবনকারীকে ১৫দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলার নামুইট গ্রামের মৃত জাহেদ আলীর ছেলে মোজাহার আলী (৪৬), রণবাঘা এলাকার জামালউদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৪৮) ও কালিকাপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৬)।

এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় প্রসিকিউটর ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়ার মুখ্য পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, সরকার পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি ও পরিবেশ সুরক্ষায় পাটের মোড়ক বাধ্যতামূলক করেছে। আইন অমান্য করে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করছে। গাঁজা বা যেকোনো মাদক সেবন ও ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করা হবে।