শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিরামপুর থানায় তৃতীয় লিঙ্গদের সাথে ওসির মতবিনিময়

চাঁদাবাজি ও অযথা মানুষকে হয়রানি নিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের সাথে জনসচেতনতা মুলক মতবিনিময় করেছেন দিনাজপুরের বিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সুমন কুমার মহন্ত। এসময় তৃতীয় লিঙ্গদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।
বুধবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জের কার্যালয়ে তৃতীয় লিঙ্গদের সাথে জনসচেতনতা মুলক মতবিনিময় করেন তিনি।
আলোচনা ও মতবিনিময়কালে তৃতীয় লিঙ্গদের উদ্দেশ্যে ওসি সুমন কুমার মহন্ত বলেন, মানুষ, মানুষের জন্য, অযথা কাউকে বিরক্ত করা যাবে না। কারও বাড়িতে শিশু জন্ম গ্রহন করলে তাদের বা শিশুকে নিয়ে তামাশা এবং মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা যাবে না। এছাড়াও বাজার-ঘাট, দোকানপাট, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন কিংবা ট্রেনেও কোন বিশৃঙ্খলা বা চাঁদাবাজি করা যাবে না। সুন্দর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে।
এছাড়াও তিনি তৃতীয় লিঙ্গদের জন্য উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান ও সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
বিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ  জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তৃতীয় লিঙ্গদের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের উপদ্রবে লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ আসছে। তারি প্রেক্ষিতে আজ এসব তৃতীয় লিঙ্গদের সাথে জনসচেতনতা মুলক আলোচনা করা হয়েছে।
জনপ্রিয়

বিরামপুর থানায় তৃতীয় লিঙ্গদের সাথে ওসির মতবিনিময়

প্রকাশের সময়: ০৮:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ ২০২২
চাঁদাবাজি ও অযথা মানুষকে হয়রানি নিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের সাথে জনসচেতনতা মুলক মতবিনিময় করেছেন দিনাজপুরের বিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সুমন কুমার মহন্ত। এসময় তৃতীয় লিঙ্গদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।
বুধবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জের কার্যালয়ে তৃতীয় লিঙ্গদের সাথে জনসচেতনতা মুলক মতবিনিময় করেন তিনি।
আলোচনা ও মতবিনিময়কালে তৃতীয় লিঙ্গদের উদ্দেশ্যে ওসি সুমন কুমার মহন্ত বলেন, মানুষ, মানুষের জন্য, অযথা কাউকে বিরক্ত করা যাবে না। কারও বাড়িতে শিশু জন্ম গ্রহন করলে তাদের বা শিশুকে নিয়ে তামাশা এবং মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা যাবে না। এছাড়াও বাজার-ঘাট, দোকানপাট, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন কিংবা ট্রেনেও কোন বিশৃঙ্খলা বা চাঁদাবাজি করা যাবে না। সুন্দর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে।
এছাড়াও তিনি তৃতীয় লিঙ্গদের জন্য উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান ও সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
বিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ  জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তৃতীয় লিঙ্গদের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের উপদ্রবে লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ আসছে। তারি প্রেক্ষিতে আজ এসব তৃতীয় লিঙ্গদের সাথে জনসচেতনতা মুলক আলোচনা করা হয়েছে।