শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ  

গাইবান্ধা সদরে ডাকাত সন্দেহে সাখাওয়াত হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার  অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) খোলাহাটি ইউনিয়নের মায়না বাজার এলাকার বর্মত্বত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাখাওয়াত হোসেন গাইবান্ধা শহরের সরকার পাড়ার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, দুই বছর আগে সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে খোলাহাটী ইউনিয়নের আনালেরতাড়ির বর্মত্বত গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর মেয়ে শিউলী বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পর শিউলি বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের বায়োজিত ইসলামের আবারও বিয়ে হয়। শিউলীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও দুজনের মধ্যে গোপনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায়ই রাত হলে শিউলির বাড়ির আশপাশে ঘোরাঘুরি করতো সাখাওয়াত। এ নিয়ে কয়েকদিন আগেও তার আগের শশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এমনকি হাতাহাতি পর্যন্ত হয়। সাখাওয়াত প্রায় সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকতো বলেও জানান স্থানীয়রা।

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান,  বুধবার রাতে সাখোয়াত তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী শিউলীর সঙ্গে গোপনে দেখা করতে যায়। এসময় ঘরে থাকা শিউলীর স্বামী বায়োজিদ ইসলাম ও তার স্বজনরা ডাকাত এসেছে বলে চিৎকার করে গ্রামবাসীকে খবর দেয়। এতে গ্রামবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে লাঠিশোঠা নিয়ে সাখাওয়াতকে মারপিট করে। পরে স্থানীয়রা ঘটনা বেগতিক দেখে সকালে ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় পরের স্বামী বায়োজিদ ও স্ত্রী শিউলীকে আটক করেছে পুলিশ। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ  

প্রকাশের সময়: ০৩:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২

গাইবান্ধা সদরে ডাকাত সন্দেহে সাখাওয়াত হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার  অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) খোলাহাটি ইউনিয়নের মায়না বাজার এলাকার বর্মত্বত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাখাওয়াত হোসেন গাইবান্ধা শহরের সরকার পাড়ার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, দুই বছর আগে সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে খোলাহাটী ইউনিয়নের আনালেরতাড়ির বর্মত্বত গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর মেয়ে শিউলী বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পর শিউলি বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের বায়োজিত ইসলামের আবারও বিয়ে হয়। শিউলীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও দুজনের মধ্যে গোপনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায়ই রাত হলে শিউলির বাড়ির আশপাশে ঘোরাঘুরি করতো সাখাওয়াত। এ নিয়ে কয়েকদিন আগেও তার আগের শশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এমনকি হাতাহাতি পর্যন্ত হয়। সাখাওয়াত প্রায় সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকতো বলেও জানান স্থানীয়রা।

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান,  বুধবার রাতে সাখোয়াত তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী শিউলীর সঙ্গে গোপনে দেখা করতে যায়। এসময় ঘরে থাকা শিউলীর স্বামী বায়োজিদ ইসলাম ও তার স্বজনরা ডাকাত এসেছে বলে চিৎকার করে গ্রামবাসীকে খবর দেয়। এতে গ্রামবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে লাঠিশোঠা নিয়ে সাখাওয়াতকে মারপিট করে। পরে স্থানীয়রা ঘটনা বেগতিক দেখে সকালে ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় পরের স্বামী বায়োজিদ ও স্ত্রী শিউলীকে আটক করেছে পুলিশ। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।