মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানে সিরিজ বিস্ফোরণে নিহত ১১

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার-ই-শরিফে সিরিজ বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কাবুল আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাবুলে বুধবার রাতে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে দুজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন, তবে রাজধানী শহরের একটি হাসপাতালের টুইটে বলা হয়েছে, মসজিদে বিস্ফোরণে পাঁচজন নিহত ও ২২ জন আহত হন।
হতাহতের এ সংখ্যা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি আল জাজিরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর আহত ব্যক্তিদের উদ্ধারে মসজিদে ছুটে যায় কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স। কাবুলে তালেবান পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, হজরত জাকারিয়া (আ.) মসজিদে ‘মাগরিবের নামাজের জন্য লোকজন জড়ো হলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
মাজার-ই-শরিফ বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফে মিনিবাসগুলো হামলার শিকার হয় বলে জানিয়েছেন তালেবান নিযুক্ত প্রাদেশিক মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিফ ওয়াজিরি।
তিনি বলেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় তিনটি মিনিবাসে বিস্ফোরক ডিভাইস রাখা হয়েছিল। আসিফ আরও জানান, বিস্ফোরণে ৯ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হন। সুত্রঃ দৈনিক বাংলা

আফগানিস্তানে সিরিজ বিস্ফোরণে নিহত ১১

প্রকাশের সময়: ১১:২৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার-ই-শরিফে সিরিজ বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কাবুল আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাবুলে বুধবার রাতে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে দুজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন, তবে রাজধানী শহরের একটি হাসপাতালের টুইটে বলা হয়েছে, মসজিদে বিস্ফোরণে পাঁচজন নিহত ও ২২ জন আহত হন।
হতাহতের এ সংখ্যা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি আল জাজিরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর আহত ব্যক্তিদের উদ্ধারে মসজিদে ছুটে যায় কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স। কাবুলে তালেবান পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, হজরত জাকারিয়া (আ.) মসজিদে ‘মাগরিবের নামাজের জন্য লোকজন জড়ো হলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
মাজার-ই-শরিফ বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফে মিনিবাসগুলো হামলার শিকার হয় বলে জানিয়েছেন তালেবান নিযুক্ত প্রাদেশিক মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিফ ওয়াজিরি।
তিনি বলেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় তিনটি মিনিবাসে বিস্ফোরক ডিভাইস রাখা হয়েছিল। আসিফ আরও জানান, বিস্ফোরণে ৯ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হন। সুত্রঃ দৈনিক বাংলা