শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ১ লাখ সাড়ে ২৯ হাজার হেক্টর রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা

গাইবান্ধা জেলার মাঠপর্যায়ে আমন চারা রোপন শুরু করেছে কৃষকরা। চলতি মৌসুমে এক লাখ ২৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে চারা সংকট। ফলে কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক-শ্রমিকদের আমন ধানচারা রোপনে ব্যস্ততার দৃশ্য দেখা যায়। তারা কাঁদা মাটিতে বুনছেন স্বপ্নের ফসলের চারা।

জানা যায়, সম্প্রতি গাইবান্ধা জেলায় বয়ে যাওয়া বন্যায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিল। এ বন্যার কারনে কৃষকদের আমন বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই এসব ক্ষতি পূষিয়ে নিতে এ বছর জোরেসোরে শুরু করেছেন আমন চারা রোপনের কাজ। তবে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়ে চারা সংকট। এই সংকট মোকাবিলায় এবং ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় উঁচু এলাকার কৃষকদের নিকট থেকে চরাও দামে কিনছেন আমন ধানচারা।

মীরপুরহাটে ধানচারা বিক্রি করতে আসা জাকিরুল আসলাম নামের এক কৃষক বলেন, আমাদের এলাকাটি উঁচু। তাই বন্যার আঘাত তেমনটা লাগেনি এখানে। নিজের চাহিদা পুরণ করে অতিরিক্ত চারা বিক্রি করতে হাটে এসেছি। নিম্নাঞ্চলে বন্যা হওয়ার কারনে হাটে-বাজারে চারার চাহিদা বেড়েছে অনেকটাই। এতে করে প্রতি পোন (২০ গোন্ডা) চারা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

সদর উপজেলা থেকে চারা কিনতে আসা নবীর হোসেন নামের আরেক কৃষক জানান, গেল বন্যায় বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও ক্ষতি হয়েছে অন্যান্য ফসলেরও। এসব ক্ষতি পূষিয়ে নিতে তিন বিঘা জমিতে আমন ধানচারা রোপনের প্রস্তুতি নিয়েছি। তবে চারা সংকটের কারনে অতিরিক্ত দাম দিয়ে চারা কিনতে বাধ্য হচ্ছি।

কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তানজিমুল হাসান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, কৃষকরা যাতে করে ভালো ফসল ঘরে তুলতে পারে সেবিষয়ে মাঠপর্যায় গিয়ে সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বেলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর।

 

গাইবান্ধায় ১ লাখ সাড়ে ২৯ হাজার হেক্টর রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা

প্রকাশের সময়: ০৭:২৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২

গাইবান্ধা জেলার মাঠপর্যায়ে আমন চারা রোপন শুরু করেছে কৃষকরা। চলতি মৌসুমে এক লাখ ২৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে চারা সংকট। ফলে কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক-শ্রমিকদের আমন ধানচারা রোপনে ব্যস্ততার দৃশ্য দেখা যায়। তারা কাঁদা মাটিতে বুনছেন স্বপ্নের ফসলের চারা।

জানা যায়, সম্প্রতি গাইবান্ধা জেলায় বয়ে যাওয়া বন্যায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিল। এ বন্যার কারনে কৃষকদের আমন বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই এসব ক্ষতি পূষিয়ে নিতে এ বছর জোরেসোরে শুরু করেছেন আমন চারা রোপনের কাজ। তবে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়ে চারা সংকট। এই সংকট মোকাবিলায় এবং ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় উঁচু এলাকার কৃষকদের নিকট থেকে চরাও দামে কিনছেন আমন ধানচারা।

মীরপুরহাটে ধানচারা বিক্রি করতে আসা জাকিরুল আসলাম নামের এক কৃষক বলেন, আমাদের এলাকাটি উঁচু। তাই বন্যার আঘাত তেমনটা লাগেনি এখানে। নিজের চাহিদা পুরণ করে অতিরিক্ত চারা বিক্রি করতে হাটে এসেছি। নিম্নাঞ্চলে বন্যা হওয়ার কারনে হাটে-বাজারে চারার চাহিদা বেড়েছে অনেকটাই। এতে করে প্রতি পোন (২০ গোন্ডা) চারা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

সদর উপজেলা থেকে চারা কিনতে আসা নবীর হোসেন নামের আরেক কৃষক জানান, গেল বন্যায় বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও ক্ষতি হয়েছে অন্যান্য ফসলেরও। এসব ক্ষতি পূষিয়ে নিতে তিন বিঘা জমিতে আমন ধানচারা রোপনের প্রস্তুতি নিয়েছি। তবে চারা সংকটের কারনে অতিরিক্ত দাম দিয়ে চারা কিনতে বাধ্য হচ্ছি।

কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তানজিমুল হাসান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, কৃষকরা যাতে করে ভালো ফসল ঘরে তুলতে পারে সেবিষয়ে মাঠপর্যায় গিয়ে সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বেলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর।