রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় প্রত্যেক জেলে পাবেন ২৫ কেজি চাল

দেশের অন্যান্য জেলার মত গাইবান্ধায় নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করে মা ইলিশ রক্ষা করতে ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রয়, পরিবহন, হোর্ডিং ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় ধরে জেলার প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি চাল দেওয়া হবে।

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) গাইবান্ধা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফয়সাল আজম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আজ ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওই ঘোষণা বলবৎ থাকবে।

ফয়সাল আজম জানান, জেলে-মাছ ব্যবসায়ীর মাঝে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিস উপভোক্তাদের ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে প্রেরণাদায়ক প্রচারণা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার-ব্যানার লাগানো, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, লিফলেট বিতরণ, ট্রাক ও বাসে চেকিং, ভিজিএফ চাল বিতরণ।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান বলেন, সরকার দেশের নদীতে  ইলিশ মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সমন্বয়মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

ইলিশ মাছ কেউ ধরে, বিক্রি, পরিবহন ও জমায়েত করলে সম্প্রতি আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধীদের জরিমান ও কারাদণ্ড করা হবে।

জনপ্রিয়

প্রকল্পনির্ভর উন্নয়নকর্মীদের অনিশ্চিত জীবন ও অবহেলিত কর্মসংস্থান

গাইবান্ধায় প্রত্যেক জেলে পাবেন ২৫ কেজি চাল

প্রকাশের সময়: ০৪:০৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

দেশের অন্যান্য জেলার মত গাইবান্ধায় নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করে মা ইলিশ রক্ষা করতে ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রয়, পরিবহন, হোর্ডিং ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় ধরে জেলার প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি চাল দেওয়া হবে।

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) গাইবান্ধা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফয়সাল আজম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আজ ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওই ঘোষণা বলবৎ থাকবে।

ফয়সাল আজম জানান, জেলে-মাছ ব্যবসায়ীর মাঝে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিস উপভোক্তাদের ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে প্রেরণাদায়ক প্রচারণা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার-ব্যানার লাগানো, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, লিফলেট বিতরণ, ট্রাক ও বাসে চেকিং, ভিজিএফ চাল বিতরণ।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান বলেন, সরকার দেশের নদীতে  ইলিশ মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সমন্বয়মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

ইলিশ মাছ কেউ ধরে, বিক্রি, পরিবহন ও জমায়েত করলে সম্প্রতি আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধীদের জরিমান ও কারাদণ্ড করা হবে।