রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাঁথিয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ অভিভাবকিদের

জেলার সাঁথিয়া উপজেলাধীন ধোপাদহ ইউনিয়নের  ১৩৪ নং পারগোপালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কতিপয় অভিবাবক উক্ত বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক রওশন আলমের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দেয় লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক রওশন আলম প্রধান শিক্ষককে  অমান্য করে ছয় মাস প্রতিষ্ঠানে  অনুপস্থিত থেকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। উক্ত শিক্ষকের কারনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে দুই বৎসর  বিলম্ব হয়েছে।  অভিযুক্ত শিক্ষকের বাবা ৩৩ শতাংশ জমি চারজন শিক্ষকের নিকট বিক্রয় করেন।  বাবার মৃত্যুর পর সে নিজেকে দাতা সদস্য হিসাবে দাবি করেন। ম্যানেজিং কমিটির গঠনতন্ত্রে কোন শিক্ষক  দাতা সদস্য  মনোনীত হতে পারেন না। সে  বিভিন্ন ভাবে প্রধান শিক্ষককে  ম্যানেজিং কমিটি গঠনে বাধার সৃষ্টি করেন। পরবর্তিতে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সভাপতি করে এডহক কমিটি গঠন করা হয়।
অভিযোগে আরও জানা যায়, শিক্ষক রওশন আলম ও সভাপতির  যোগসাজশে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনার মূল্যবান গাছ কেটে অভিযুক্ত  শিক্ষক  বিক্রি করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন জানান, অভিযোগটি পাবনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হয়েছে। অভিযোগকারীগণ অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন নাই। এ বিষয়ে অভিবাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জনপ্রিয়

প্রকল্পনির্ভর উন্নয়নকর্মীদের অনিশ্চিত জীবন ও অবহেলিত কর্মসংস্থান

সাঁথিয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ অভিভাবকিদের

প্রকাশের সময়: ০১:৩৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২
জেলার সাঁথিয়া উপজেলাধীন ধোপাদহ ইউনিয়নের  ১৩৪ নং পারগোপালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কতিপয় অভিবাবক উক্ত বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক রওশন আলমের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দেয় লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক রওশন আলম প্রধান শিক্ষককে  অমান্য করে ছয় মাস প্রতিষ্ঠানে  অনুপস্থিত থেকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। উক্ত শিক্ষকের কারনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে দুই বৎসর  বিলম্ব হয়েছে।  অভিযুক্ত শিক্ষকের বাবা ৩৩ শতাংশ জমি চারজন শিক্ষকের নিকট বিক্রয় করেন।  বাবার মৃত্যুর পর সে নিজেকে দাতা সদস্য হিসাবে দাবি করেন। ম্যানেজিং কমিটির গঠনতন্ত্রে কোন শিক্ষক  দাতা সদস্য  মনোনীত হতে পারেন না। সে  বিভিন্ন ভাবে প্রধান শিক্ষককে  ম্যানেজিং কমিটি গঠনে বাধার সৃষ্টি করেন। পরবর্তিতে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সভাপতি করে এডহক কমিটি গঠন করা হয়।
অভিযোগে আরও জানা যায়, শিক্ষক রওশন আলম ও সভাপতির  যোগসাজশে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনার মূল্যবান গাছ কেটে অভিযুক্ত  শিক্ষক  বিক্রি করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন জানান, অভিযোগটি পাবনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হয়েছে। অভিযোগকারীগণ অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন নাই। এ বিষয়ে অভিবাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।