রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাতাখেলা দেখতে উৎসুক মানুষের ঢল

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী পাতাখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পাতাখেলা দেখতে ভিড় করেন উৎসুক নারী-পুরুষ। গত ২৭ ডিসেম্বর বুধবার উপজেলার ফতেজংপুর ইউপির বড় হাশিমপুর গ্রামের দপ্তরীপাড়ায় স্থানীয় যুবকরা ধান কাটা শেষে ফাঁকা মাঠে এ পাতাখেলার আয়োজন করে। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ খেলা। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পাঁচটি তান্ত্রিকদল খেলায় অংশগ্রহণ করে। তান্ত্রিকরা তাদের নিজেদের তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে পাতারূপী মানুষকে মাঠের মধ্য হতে নিজের দিকে টানার প্রতিযোগিতা করেন। পয়েন্ট হিসেব করে বিজয়ীদল ঘোষণা করা হয়।
খেলার সময় ছিল মাঠজুড়ে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরের উপচে পড়া ভিড়। এ খেলাকে ঘিরে পুরো বড় হাশিমপুরের দপ্তরীপাড়া গ্রামে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল।
খেলা উপভোগ করতে আসা সাজ্জাদ হোসেন হিমু বলেন, পাতাখেলা নামে যে কোনও খেলা ছিল তা আমার জানা ছিল না। এ খেলা আমি আগে কখনও দেখিনি এবং উপভোগও করিনি। কিন্তু আজকে খেলাটি দেখলাম। খেলাটি অনেক মজার ও উপভোগ্য।
এনামুল নাঈম সুমন বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় ছিল এ পাতাখেলা। আগে এ খেলা বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে নিয়মিত আয়োজন করা হতো। কিন্তু কালের বিবর্তনে আজ কোথাও এ খেলা দেখা যায় না। তাই অনেক দিন পর এমন খেলার কথা শুনে আর লোভ সামলাতে পারলাম না। খেলাটি উপভোগ করলাম, খুব ভালো লাগলো।
খেলা আয়োজক কমিটির সদস্য মাহাবুর রহমান ও নাছিরউদ্দিন বলেন, আমরা খেলাটি মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কালের বিবর্তনে ঐতিহ্যবাহী এ খেলাটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই খেলাটি ধরে রাখতে ও পুনরুদ্ধারের জন্যই এ খেলার আয়োজন করা। আর্থিক সহযোগিতা পেলে মানুষকে আনন্দ-বিনোদন দিতে প্রতিবছর এধরণের আয়োজনের চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।
জনপ্রিয়

প্রকল্পনির্ভর উন্নয়নকর্মীদের অনিশ্চিত জীবন ও অবহেলিত কর্মসংস্থান

পাতাখেলা দেখতে উৎসুক মানুষের ঢল

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী পাতাখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পাতাখেলা দেখতে ভিড় করেন উৎসুক নারী-পুরুষ। গত ২৭ ডিসেম্বর বুধবার উপজেলার ফতেজংপুর ইউপির বড় হাশিমপুর গ্রামের দপ্তরীপাড়ায় স্থানীয় যুবকরা ধান কাটা শেষে ফাঁকা মাঠে এ পাতাখেলার আয়োজন করে। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ খেলা। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পাঁচটি তান্ত্রিকদল খেলায় অংশগ্রহণ করে। তান্ত্রিকরা তাদের নিজেদের তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে পাতারূপী মানুষকে মাঠের মধ্য হতে নিজের দিকে টানার প্রতিযোগিতা করেন। পয়েন্ট হিসেব করে বিজয়ীদল ঘোষণা করা হয়।
খেলার সময় ছিল মাঠজুড়ে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরের উপচে পড়া ভিড়। এ খেলাকে ঘিরে পুরো বড় হাশিমপুরের দপ্তরীপাড়া গ্রামে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল।
খেলা উপভোগ করতে আসা সাজ্জাদ হোসেন হিমু বলেন, পাতাখেলা নামে যে কোনও খেলা ছিল তা আমার জানা ছিল না। এ খেলা আমি আগে কখনও দেখিনি এবং উপভোগও করিনি। কিন্তু আজকে খেলাটি দেখলাম। খেলাটি অনেক মজার ও উপভোগ্য।
এনামুল নাঈম সুমন বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় ছিল এ পাতাখেলা। আগে এ খেলা বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে নিয়মিত আয়োজন করা হতো। কিন্তু কালের বিবর্তনে আজ কোথাও এ খেলা দেখা যায় না। তাই অনেক দিন পর এমন খেলার কথা শুনে আর লোভ সামলাতে পারলাম না। খেলাটি উপভোগ করলাম, খুব ভালো লাগলো।
খেলা আয়োজক কমিটির সদস্য মাহাবুর রহমান ও নাছিরউদ্দিন বলেন, আমরা খেলাটি মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কালের বিবর্তনে ঐতিহ্যবাহী এ খেলাটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই খেলাটি ধরে রাখতে ও পুনরুদ্ধারের জন্যই এ খেলার আয়োজন করা। আর্থিক সহযোগিতা পেলে মানুষকে আনন্দ-বিনোদন দিতে প্রতিবছর এধরণের আয়োজনের চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।