গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফলে তারা সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়। এদিকে পরদিন ১ মার্চ রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তড়িঘড়ি করে বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংশোধনী তালিকা প্রকাশ করে। এই তালিকায় উল্লেখিত দুই শিক্ষার্থীর নাম নেই। শুধু ওই স্কুলেই এরকম ঘটনা ঘটেনি।উপজেলার খৈলসাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজনের,পুন্ডুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুইজন এবং সাঁথিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থীর নাম নেই বিতর্কিত সংশোধনী তালিকায়।সংশোধনী তালিকায় নাম না আসায় কান্নায় ভেঙে পড়ে ওইসব কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।তানভিরের বাবা গোপিনাথপুর গ্রামের আহেদ আলী জানান,তার ছেলে মেধাবী ছাত্র।বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভাল পরীক্ষা দিয়েছিল। একই গ্রামের নাফিজা আক্তার নাঈমার বাবা সিএনজি চালক নওশের আলী জানান,তার মেয়ে খুবই মেধাবী ছাত্রী। বৃত্তি পরীক্ষায় ভাল লিখেছিল। সংশোধনী তালিকায় নাম না আসায় তারা হতাশ হয়েছেন। তারা
উল্লেখিত দুই শিক্ষার্থীর নাম বৃত্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান। এ ব্যাপারে সাঁথিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,সংশোধনী তালিকায় গোপিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুইজন ও খৈলসাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থীর নাম বাদ পড়ার বিষয়টি অবগত আছি। তিনি জানান,সফটওয়ারজটিলতার কারণে এরকম হতে পারে।বাদপড়া শিক্ষার্থীদের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
মনসুর আলম খোকন, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, সাঁথিয়া (পাবনা) 















