শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইফতারী পেয়ে বেজায় খুশি তারা

মেহেন্নেকা, জমিরন ও আমেনা বেওয়া। সবাই বিধবা ও ছিন্নমূল পরিবারের নারী। তাদের মতো আরও বেশ কিছু রোজাদার নারী ছুটে এসেছেন ইফতারী সংগ্রহে। এরই মধ্যে একঝাঁক যুবক এই নারীদের হাতে তুলে দিলেন ইফতারের খাবার। এসময় বেজায় খুশি তারা।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) দুপুরে গাইবান্ধার হাট লক্ষীপুরস্থ এই খাদ্য বিতরণ করেন স্থানীয় যুবকরা। তারা বিধবা ও দুস্থ রোজাদার নারীদের দিলেন ইফতার সামগ্রী।

এসময় আশিক সাউন্ড সার্ভিসের কর্ণধার মাসুদ মিয়া, হাবিবুর রহমান, ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদ, আলমগীর মিয়া, রুবেল মিয়া, সংগীত শিল্পী গোলাম মোস্তফা, শিক্ষক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, মুরাদ মামুন, বেলাল হোসেন আব্দুল মালেক, জয়নাল, মুসলিম, আনিছার রহমান, ভুট্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সুবিধাভোগি আমেনা বেওয়া বলেন, এই রমজান মাসে আমি নিয়মিত রোজা করছি। অভাব অনটনের কারণে সেহেরি ও ইফতারের সময় ভালো কিছু খেতে পারিনা। আজ ওই ছেলেরা আমাকে ইফতারের জন্য ভালো খাবারের প্যাকেট দিয়েছে। খুবই আনন্দিত ও ভালো লাগছে। এখন আত্নতৃপ্তিতে খেতে পাররো।

এই কর্মসূচির আয়োজকদের মধ্যের ব্যবসায়ী মাসুদ মিয়া ও রাজু  আহম্মেদ,  বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বছরের প্রত্যক রমজান মাসে এই ধারা অব্যাহত থাকবে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ইফতার সামগ্রী বিতরণের পরিকল্পনা আছে।

জনপ্রিয়

ইফতারী পেয়ে বেজায় খুশি তারা

প্রকাশের সময়: ০৫:৫১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

মেহেন্নেকা, জমিরন ও আমেনা বেওয়া। সবাই বিধবা ও ছিন্নমূল পরিবারের নারী। তাদের মতো আরও বেশ কিছু রোজাদার নারী ছুটে এসেছেন ইফতারী সংগ্রহে। এরই মধ্যে একঝাঁক যুবক এই নারীদের হাতে তুলে দিলেন ইফতারের খাবার। এসময় বেজায় খুশি তারা।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) দুপুরে গাইবান্ধার হাট লক্ষীপুরস্থ এই খাদ্য বিতরণ করেন স্থানীয় যুবকরা। তারা বিধবা ও দুস্থ রোজাদার নারীদের দিলেন ইফতার সামগ্রী।

এসময় আশিক সাউন্ড সার্ভিসের কর্ণধার মাসুদ মিয়া, হাবিবুর রহমান, ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদ, আলমগীর মিয়া, রুবেল মিয়া, সংগীত শিল্পী গোলাম মোস্তফা, শিক্ষক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, মুরাদ মামুন, বেলাল হোসেন আব্দুল মালেক, জয়নাল, মুসলিম, আনিছার রহমান, ভুট্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সুবিধাভোগি আমেনা বেওয়া বলেন, এই রমজান মাসে আমি নিয়মিত রোজা করছি। অভাব অনটনের কারণে সেহেরি ও ইফতারের সময় ভালো কিছু খেতে পারিনা। আজ ওই ছেলেরা আমাকে ইফতারের জন্য ভালো খাবারের প্যাকেট দিয়েছে। খুবই আনন্দিত ও ভালো লাগছে। এখন আত্নতৃপ্তিতে খেতে পাররো।

এই কর্মসূচির আয়োজকদের মধ্যের ব্যবসায়ী মাসুদ মিয়া ও রাজু  আহম্মেদ,  বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বছরের প্রত্যক রমজান মাসে এই ধারা অব্যাহত থাকবে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ইফতার সামগ্রী বিতরণের পরিকল্পনা আছে।