রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বসতবাড়িতে হামলা, নারীসহ ৪ জনকে হত্যার চেষ্টা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় এক বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে নারীসহ ৪ জনকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হলে আসামিদের অব্যাহত হুমকিতে বাদি পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের বুজরুক জামালপুর গ্রামে গিয়ে জানা যায়, ওই হামলার ভয়ঙ্কর কাহিনী।

এলাকাবাসী ও মামলার বিবরণে জানা যায়, বুজরুক জামালপুর গ্রামের মৃত নায়েব উদ্দিনের ছেলে নুর হোসেন সরদারের  সঙ্গে একই গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে এছাহাক আলী গংদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১ এপ্রিল দুপুরের দিকে এছাহাক আলী ও তার লোকজন দলবদ্ধ হয়ে নুর হোসেনের বাড়িতে হামলা করে। এসময় বাঁধা দিতে গিয়ে নুর হোসেন ও তার পুত্রবধূ শাপলা বেগমকে লোহার রড দিয়ে বেধরক মারপিট  করার পর ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হাত ও কব্জি কেটে দেয়। একই সঙ্গে শাপলা বেগমকে শ্লীলতাহানীও করে হামলাকারীরা। এরই মধ্যে নুর হোসেনের স্ত্রী আছিয়া বেগম ও ছেলে আবু বক্কর এগিয়ে আসলে তাদেরকেও কুপিয়ে যখম করা হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে নুর হোসেন ও শাপলা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান স্বজনরা। সেখানে তাদের গভীরে কেটে ফেলা স্থানে একাধিক সেলাই দেওয়া হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগি নুর হোসেন বলেন, প্রতিপক্ষ এছাহাক আলী, একরামুল হক ও রুহুল আমিন গংরা অত্যান্ত দাঙ্গাবাজ ও আইন অমান্যকারী প্রকৃতির। ইতোপুর্বেও তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ আরও বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এরই মধ্যে আমার জমি জোরপুর্বক দখলের চেষ্টাসহ আমার পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করে আসছে তারা। তাদের এই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাদেরকে হত্যার চেষ্টা করে । এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সেটি পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে মামলার কোনো অগ্রগতি দেখছিনা। যার ফলে আসামিরা আমাকে ও পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এ নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এছাহাক আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাদুল্লাপুর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আতোয়ার রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফেনটি তিনি ধরেনি।

 

 

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে ছওয়াবের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির

সাদুল্লাপুরে বসতবাড়িতে হামলা, নারীসহ ৪ জনকে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশের সময়: ০৪:০২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০২৩

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় এক বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে নারীসহ ৪ জনকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হলে আসামিদের অব্যাহত হুমকিতে বাদি পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের বুজরুক জামালপুর গ্রামে গিয়ে জানা যায়, ওই হামলার ভয়ঙ্কর কাহিনী।

এলাকাবাসী ও মামলার বিবরণে জানা যায়, বুজরুক জামালপুর গ্রামের মৃত নায়েব উদ্দিনের ছেলে নুর হোসেন সরদারের  সঙ্গে একই গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে এছাহাক আলী গংদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১ এপ্রিল দুপুরের দিকে এছাহাক আলী ও তার লোকজন দলবদ্ধ হয়ে নুর হোসেনের বাড়িতে হামলা করে। এসময় বাঁধা দিতে গিয়ে নুর হোসেন ও তার পুত্রবধূ শাপলা বেগমকে লোহার রড দিয়ে বেধরক মারপিট  করার পর ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হাত ও কব্জি কেটে দেয়। একই সঙ্গে শাপলা বেগমকে শ্লীলতাহানীও করে হামলাকারীরা। এরই মধ্যে নুর হোসেনের স্ত্রী আছিয়া বেগম ও ছেলে আবু বক্কর এগিয়ে আসলে তাদেরকেও কুপিয়ে যখম করা হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে নুর হোসেন ও শাপলা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান স্বজনরা। সেখানে তাদের গভীরে কেটে ফেলা স্থানে একাধিক সেলাই দেওয়া হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগি নুর হোসেন বলেন, প্রতিপক্ষ এছাহাক আলী, একরামুল হক ও রুহুল আমিন গংরা অত্যান্ত দাঙ্গাবাজ ও আইন অমান্যকারী প্রকৃতির। ইতোপুর্বেও তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ আরও বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এরই মধ্যে আমার জমি জোরপুর্বক দখলের চেষ্টাসহ আমার পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করে আসছে তারা। তাদের এই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাদেরকে হত্যার চেষ্টা করে । এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সেটি পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে মামলার কোনো অগ্রগতি দেখছিনা। যার ফলে আসামিরা আমাকে ও পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এ নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এছাহাক আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাদুল্লাপুর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আতোয়ার রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফেনটি তিনি ধরেনি।