শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদকে ঘিরে হিলির দর্জিদের বেড়েছে ব্যস্ততা

আর মাত্র কিছুদিন পরই পবিত্র ঈদ উল ফিতর। ঈদকে সামনে রেখে তাই  কাস্টমারদের দেওয়া নতুন কাপড়ের পোশাক তৈরিতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের হিলির দর্জি কারিগর ও মালিকরা।
হিলি শহরসহ বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জের হাট ও বাজারের দর্জি দোকান ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানে সেলাই কাজের অনেক অর্ডার পাচ্ছেন কারিগররা। প্রত্যেক কারিগর দিনে তৈরি করছেন ৭ থেকে ৮টি করে পোশাক। বেশ কিছুদিন বাঁকি আছে ঈদের, এখনও অর্ডার বন্ধ করেনি টেইলার্স মালিকরা। তবে প্রতিটি সেলাই কারখানায় কারিগররা মনের আনন্দে কাজ করছেন।
গত করোনার কয়েক বছর তুলোনায় এবার পরিবার নিয়ে হাসি-খুশি আর আনন্দ ঈদ যাপন করবেন কারিগররা।
হিলি বাজারের মাহি টেইলার্সের কারিগর রাজু ও রিয়াজ বলেন, গত করোনার কারণে সবকিছু বন্ধ ছিলো। লকডাউনের জন্য দোকানপাট ঠিকমতো খুলতে পারিনি। ছেলে-মেয়েদের নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। বর্তমান করোনা নেই। কিছুদিন পর ঈদ। এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি ঈদ আমাদের ভালো কাটবে।
হিলি বাজারের বাদশা টেইলার্সের তিন জন কারিগর রফিকুল, আনিছ ও ইকবাল হোসেন বলেন, হাতে প্রচুর কাজ। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮টি কাপড় সেলাই করছি। ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা মজুরি পাচ্ছি। গত বছরের চেয়ে এবার আমরা পরিবার নিয়ে ঈদ ভালোই কাটাবো।
মদিনা বোরখা হাউজের মালিক ও কাটিং মাস্টার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, হাতে মোটামুটি কাজ আছে। আমি একাই দোকানের অর্ডার এবং কাজ করছি। এখনও ঈদের অনেকদিন বাঁকি আছে, আশা করছি আরও অর্ডার পাবো।
বাজারের খান টেইলার্সের মালিক ও কাটিং মাস্টার বাদশা বলেন, পাঞ্জাবির অনেক কাজ পাচ্ছি। আমার কারখানায় ১০ জন কারিগর আছে। তাদেরও অনেক কাজ দিচ্ছি। দোকানে অনেক কাপড়ের অর্ডার আসতিছে। এগুলো সেলাই করতে কারিগররা ব্যস্ত সময়ের পার করছেন। আর কয়েকদিন পর অর্ডার অর্ডার বন্ধ করে দিবো।
মনিষা টেইলার্সের মালিক ও কাটিং মাস্টার রোমেনা আক্তার মনি বলেন, আমার বাড়িতে কারখানা। এখানে চার জন কারিগর কাজ করে। মেয়েরা আমার কালেকশন করা কাপড় কিনে তা এখানেই তৈরি করেন। ঈদের জন্য প্রচুর কাজের অর্ডার পাচ্ছি। কারিগররাও এবার রাত-দিন কাজ করবেন। আশা করছি আমরা সবাই ঈদের আনন্দ সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারবো।
জনপ্রিয়

ঈদকে ঘিরে হিলির দর্জিদের বেড়েছে ব্যস্ততা

প্রকাশের সময়: ০৫:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩
আর মাত্র কিছুদিন পরই পবিত্র ঈদ উল ফিতর। ঈদকে সামনে রেখে তাই  কাস্টমারদের দেওয়া নতুন কাপড়ের পোশাক তৈরিতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের হিলির দর্জি কারিগর ও মালিকরা।
হিলি শহরসহ বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জের হাট ও বাজারের দর্জি দোকান ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানে সেলাই কাজের অনেক অর্ডার পাচ্ছেন কারিগররা। প্রত্যেক কারিগর দিনে তৈরি করছেন ৭ থেকে ৮টি করে পোশাক। বেশ কিছুদিন বাঁকি আছে ঈদের, এখনও অর্ডার বন্ধ করেনি টেইলার্স মালিকরা। তবে প্রতিটি সেলাই কারখানায় কারিগররা মনের আনন্দে কাজ করছেন।
গত করোনার কয়েক বছর তুলোনায় এবার পরিবার নিয়ে হাসি-খুশি আর আনন্দ ঈদ যাপন করবেন কারিগররা।
হিলি বাজারের মাহি টেইলার্সের কারিগর রাজু ও রিয়াজ বলেন, গত করোনার কারণে সবকিছু বন্ধ ছিলো। লকডাউনের জন্য দোকানপাট ঠিকমতো খুলতে পারিনি। ছেলে-মেয়েদের নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। বর্তমান করোনা নেই। কিছুদিন পর ঈদ। এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি ঈদ আমাদের ভালো কাটবে।
হিলি বাজারের বাদশা টেইলার্সের তিন জন কারিগর রফিকুল, আনিছ ও ইকবাল হোসেন বলেন, হাতে প্রচুর কাজ। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮টি কাপড় সেলাই করছি। ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা মজুরি পাচ্ছি। গত বছরের চেয়ে এবার আমরা পরিবার নিয়ে ঈদ ভালোই কাটাবো।
মদিনা বোরখা হাউজের মালিক ও কাটিং মাস্টার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, হাতে মোটামুটি কাজ আছে। আমি একাই দোকানের অর্ডার এবং কাজ করছি। এখনও ঈদের অনেকদিন বাঁকি আছে, আশা করছি আরও অর্ডার পাবো।
বাজারের খান টেইলার্সের মালিক ও কাটিং মাস্টার বাদশা বলেন, পাঞ্জাবির অনেক কাজ পাচ্ছি। আমার কারখানায় ১০ জন কারিগর আছে। তাদেরও অনেক কাজ দিচ্ছি। দোকানে অনেক কাপড়ের অর্ডার আসতিছে। এগুলো সেলাই করতে কারিগররা ব্যস্ত সময়ের পার করছেন। আর কয়েকদিন পর অর্ডার অর্ডার বন্ধ করে দিবো।
মনিষা টেইলার্সের মালিক ও কাটিং মাস্টার রোমেনা আক্তার মনি বলেন, আমার বাড়িতে কারখানা। এখানে চার জন কারিগর কাজ করে। মেয়েরা আমার কালেকশন করা কাপড় কিনে তা এখানেই তৈরি করেন। ঈদের জন্য প্রচুর কাজের অর্ডার পাচ্ছি। কারিগররাও এবার রাত-দিন কাজ করবেন। আশা করছি আমরা সবাই ঈদের আনন্দ সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারবো।