শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্তানকে সুস্থ করতে বাবা-মায়ের আকুতি

ফুটফুটে কোমলমতি শিশু সাহারা আক্তার। বয়স সবেমাত্র সাড়ে ৩ বছর। কিন্ত অন্যান্য শিশুদের মত খেলাধুলা ও ছোটাছুটি করছে পারছে না। অবুঝ এই শিশুটি চোখের সমস্যায় ভুগছে। এই সন্তানকে সুস্থ করার চেষ্টায় ইতোমধ্যে সহায় সম্বল হারিয়ে দরিদ্র পিতা-মাতা এখন দিশেহারা। বর্তমানে অর্থাভাবে থমকে গেছে এই শিশুর চিকিৎসা।

অসুস্থ সাহেরা আক্তার সাহারা আক্তার গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের মন্দুয়ার গ্রামের দিনমজুর আব্দুস সামাদ মিয়ার মেয়ে। এই সামাদের মাত্র দেড় শতাংশ জমিই এখন সম্বল।

স্বজনরা জানায়, সাহারা আক্তার জন্মের দুইমাস যেতে না যেতেই তার চোখে স্পট দেখা দেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে তার ডান চোখ দিয়ে রক্ত ঝড়তে থাকে। যে বয়সে অন্যান্য শিশুদের নিয়ে খেলায় মেতে থাকার কথা কিন্তু চোখের যন্ত্রণা থাকায় মায়ের সান্নিধ্যে সব সময় কাঁটে তার। চঞ্চল কমলমতি সাহারা আক্তারের ভবিষ্যৎ যেন সামনে অন্ধকার।

মেয়ের চোখের অসহ্য যন্ত্রণা দেখে তার পিতা রংপুরের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাশেদুল মওলার শরণাপন্ন হয়। পপুলা ডায়াগষ্টিক সেন্টারে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। দীর্ঘ দিন চিকিৎসা করেও তার কোনো উন্নতি হয়নি। আবার তাকে প্রেরণ করেন ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার  ইসমাইল হোসেনের তত্বাবধানে সিটি স্ক্যানসহ নানা পরীক্ষা করেন। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। বর্তমানে এত টাকা সংগ্রহ করা তার পরিবারের কাছে কল্পনামাত্র। সাহারার পিতার কোন রকমে মাথা গোজার ঠাঁই আছে ।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে দিনমজুর পিতা আব্দুস সামাদ মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মেয়ের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে আমার যেটুকু উপার্জন করে হাতে ছিল তা নিঃস্ব হয়েছি। এমনকি আতত্নী-স্বজনদের কাছ থেকে ধার দেনা করে চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে ঋণে জর্জরিত ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না। তাই সমাজের হৃদয়বান, দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে সাহায্য কামনা করছি। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা বিকাশ-নগদ-রকেট নাম্বার-০১৭০৭-৪৬০৪৭১ ।

জনপ্রিয়

সন্তানকে সুস্থ করতে বাবা-মায়ের আকুতি

প্রকাশের সময়: ০৮:৪২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

ফুটফুটে কোমলমতি শিশু সাহারা আক্তার। বয়স সবেমাত্র সাড়ে ৩ বছর। কিন্ত অন্যান্য শিশুদের মত খেলাধুলা ও ছোটাছুটি করছে পারছে না। অবুঝ এই শিশুটি চোখের সমস্যায় ভুগছে। এই সন্তানকে সুস্থ করার চেষ্টায় ইতোমধ্যে সহায় সম্বল হারিয়ে দরিদ্র পিতা-মাতা এখন দিশেহারা। বর্তমানে অর্থাভাবে থমকে গেছে এই শিশুর চিকিৎসা।

অসুস্থ সাহেরা আক্তার সাহারা আক্তার গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের মন্দুয়ার গ্রামের দিনমজুর আব্দুস সামাদ মিয়ার মেয়ে। এই সামাদের মাত্র দেড় শতাংশ জমিই এখন সম্বল।

স্বজনরা জানায়, সাহারা আক্তার জন্মের দুইমাস যেতে না যেতেই তার চোখে স্পট দেখা দেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে তার ডান চোখ দিয়ে রক্ত ঝড়তে থাকে। যে বয়সে অন্যান্য শিশুদের নিয়ে খেলায় মেতে থাকার কথা কিন্তু চোখের যন্ত্রণা থাকায় মায়ের সান্নিধ্যে সব সময় কাঁটে তার। চঞ্চল কমলমতি সাহারা আক্তারের ভবিষ্যৎ যেন সামনে অন্ধকার।

মেয়ের চোখের অসহ্য যন্ত্রণা দেখে তার পিতা রংপুরের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাশেদুল মওলার শরণাপন্ন হয়। পপুলা ডায়াগষ্টিক সেন্টারে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। দীর্ঘ দিন চিকিৎসা করেও তার কোনো উন্নতি হয়নি। আবার তাকে প্রেরণ করেন ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার  ইসমাইল হোসেনের তত্বাবধানে সিটি স্ক্যানসহ নানা পরীক্ষা করেন। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। বর্তমানে এত টাকা সংগ্রহ করা তার পরিবারের কাছে কল্পনামাত্র। সাহারার পিতার কোন রকমে মাথা গোজার ঠাঁই আছে ।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে দিনমজুর পিতা আব্দুস সামাদ মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মেয়ের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে আমার যেটুকু উপার্জন করে হাতে ছিল তা নিঃস্ব হয়েছি। এমনকি আতত্নী-স্বজনদের কাছ থেকে ধার দেনা করে চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে ঋণে জর্জরিত ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না। তাই সমাজের হৃদয়বান, দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে সাহায্য কামনা করছি। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা বিকাশ-নগদ-রকেট নাম্বার-০১৭০৭-৪৬০৪৭১ ।