শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাগো২৪.নেট-এ সংবাদ প্রকাশে হুইলচেয়ার পেলেন সেই ফুলমতি

অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না বীরাঙ্গনা ফুলমতির। এই শিরোনামে জাগো২৪.নেট-এ সংবাদ প্রকাশ হয়। সেটি নজরে পড়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক অলিউর রহমানের। এরপর ফুলমতিকে দেওয়া হয় একটি হুইলচেয়ার। এসময় তাকে আর্থিক  সহায়তারও আশ্বাস দেন অলিউর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে সাদুল্লাপুর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতি (৮০) কে এই চেয়ারটি দেওয়া হয়।

ফুলমতির বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরের উত্তরপাড়ায়। তিনি মৃত কুশিরাম সরকার ফসিয়ার স্ত্রী।

জানা যায়,  রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতি (৮০)। ১৯৭১ সালে তার বয়স যখন ২৮ বছর, তখন মুক্তিযুদ্ধে উত্তাল ছিল দেশ। এরই মধ্যে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন তিনি। এই যুদ্ধে দেশ স্বাধীনের ৪৫ বছর পর বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়ায় ফুলের মতো হাসি ফুটে ফুলমতির। কিন্তু এই হাসি যেন ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বার্ধক্যজনিত কারণে শরীরজুড়ে নানা রোগের বাসা বেঁধেছে। প্রায় ২ বছর ধরে হাসপাতাল আর বাড়ির বিছানায় দিনরাত কাটছে তার। বয়সের ভারে নুয়ে পরার কারণে অসুখ তার পিছু ছাড়ছে না। গত ২০২১ সালের ৪ জুন ব্রেইন স্ট্রোক হয়ে ডান হাত-পা অবস হয়। মন চাইলে আর চলতে পারেন না এদিক-সেদিক। অসুখ-বিসুখ লেগে থাকায় তিনি এখন গৃহবন্দী। দিনরাত যাচ্ছে বিছানায় শুয়ে। আবার কখনো কখনো তাকে নিতে হয় হাসপাতালে। এভাবে দিনদিন অসুস্থ হয়ে পড়ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফুলমতি। কিন্তু অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছে না স্বজনরা।

 

জনপ্রিয়

জাগো২৪.নেট-এ সংবাদ প্রকাশে হুইলচেয়ার পেলেন সেই ফুলমতি

প্রকাশের সময়: ১০:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না বীরাঙ্গনা ফুলমতির। এই শিরোনামে জাগো২৪.নেট-এ সংবাদ প্রকাশ হয়। সেটি নজরে পড়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক অলিউর রহমানের। এরপর ফুলমতিকে দেওয়া হয় একটি হুইলচেয়ার। এসময় তাকে আর্থিক  সহায়তারও আশ্বাস দেন অলিউর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে সাদুল্লাপুর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতি (৮০) কে এই চেয়ারটি দেওয়া হয়।

ফুলমতির বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরের উত্তরপাড়ায়। তিনি মৃত কুশিরাম সরকার ফসিয়ার স্ত্রী।

জানা যায়,  রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতি (৮০)। ১৯৭১ সালে তার বয়স যখন ২৮ বছর, তখন মুক্তিযুদ্ধে উত্তাল ছিল দেশ। এরই মধ্যে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন তিনি। এই যুদ্ধে দেশ স্বাধীনের ৪৫ বছর পর বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়ায় ফুলের মতো হাসি ফুটে ফুলমতির। কিন্তু এই হাসি যেন ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বার্ধক্যজনিত কারণে শরীরজুড়ে নানা রোগের বাসা বেঁধেছে। প্রায় ২ বছর ধরে হাসপাতাল আর বাড়ির বিছানায় দিনরাত কাটছে তার। বয়সের ভারে নুয়ে পরার কারণে অসুখ তার পিছু ছাড়ছে না। গত ২০২১ সালের ৪ জুন ব্রেইন স্ট্রোক হয়ে ডান হাত-পা অবস হয়। মন চাইলে আর চলতে পারেন না এদিক-সেদিক। অসুখ-বিসুখ লেগে থাকায় তিনি এখন গৃহবন্দী। দিনরাত যাচ্ছে বিছানায় শুয়ে। আবার কখনো কখনো তাকে নিতে হয় হাসপাতালে। এভাবে দিনদিন অসুস্থ হয়ে পড়ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফুলমতি। কিন্তু অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছে না স্বজনরা।