শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে মেয়ের অবস্থান

দিনাজপুরের খানসামায় ধর্ষণের পর হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূ‌চি করছেন অপোবালা রায়ের মেয়ে বিপাশা রায় (১৩)।
গত ১৫ এপ্রিল শনিবার উপজেলার টংগুয়া গ্রামের কুমারপাড়া পূজামন্ডপের সম্মুখে মায়ের হত্যার বিচারের দাবিতে গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে প্রথমদিনের মত অবস্থান করেন মেয়ে বিপাশা। এসময় তার সাথে ছোট বোন বনলতা, বাবা-মাসহ এলাকাবাসী অবস্থান করেন।
প্ল্যাকার্ডে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চেয়ে লেখা ছিল, ‘হায়রে কপাল মন্দ, আইন থাকলেও প্রশাসনের কার্যক্রম বন্ধ।  বাহ! প্রশাসন কি চমৎকার, ক্ষমতা ও অপশক্তির ভয়ে ধর্ষক ও হত্যাকারীদের পাহারাদার।
ইতিপূর্বেও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। পরিবারটি মন্ডপের সামনে কালো পতাকা টাঙিয়ে দুর্গাপূজা বর্জন করেছিল।
বিপাশা রায় বলেন, ‘আমার বোন ও আমাকে যারা এতিম করেছে তাদের দ্রুত বিচার চাই। আমি গরীব বলে কি আমার মায়ের হত্যার বিচার পাব না? আমার ছোট বোন দুধের শিশুকে রেখে আমার মাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই। প্রধানমন্ত্রী আমার মায়ের হত্যার বিচার করেন।
উল্লেখ্য, গত ২০২২ সালের ২৯ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে পিতার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার পথে ধানক্ষেতে পথচারীরা দুই কন্যা সন্তানের জননী অপো রানী রায়ের মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পায়। পাশেই নিহতের সাথে ১০ বছরের মেয়ে বিপাশা রানী রায়কে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায় ৷ পরে পথচারীরা থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে  এবং সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। আর অজ্ঞান শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
জনপ্রিয়

খানসামায় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে মেয়ের অবস্থান

প্রকাশের সময়: ০৪:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩
দিনাজপুরের খানসামায় ধর্ষণের পর হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূ‌চি করছেন অপোবালা রায়ের মেয়ে বিপাশা রায় (১৩)।
গত ১৫ এপ্রিল শনিবার উপজেলার টংগুয়া গ্রামের কুমারপাড়া পূজামন্ডপের সম্মুখে মায়ের হত্যার বিচারের দাবিতে গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে প্রথমদিনের মত অবস্থান করেন মেয়ে বিপাশা। এসময় তার সাথে ছোট বোন বনলতা, বাবা-মাসহ এলাকাবাসী অবস্থান করেন।
প্ল্যাকার্ডে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চেয়ে লেখা ছিল, ‘হায়রে কপাল মন্দ, আইন থাকলেও প্রশাসনের কার্যক্রম বন্ধ।  বাহ! প্রশাসন কি চমৎকার, ক্ষমতা ও অপশক্তির ভয়ে ধর্ষক ও হত্যাকারীদের পাহারাদার।
ইতিপূর্বেও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। পরিবারটি মন্ডপের সামনে কালো পতাকা টাঙিয়ে দুর্গাপূজা বর্জন করেছিল।
বিপাশা রায় বলেন, ‘আমার বোন ও আমাকে যারা এতিম করেছে তাদের দ্রুত বিচার চাই। আমি গরীব বলে কি আমার মায়ের হত্যার বিচার পাব না? আমার ছোট বোন দুধের শিশুকে রেখে আমার মাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই। প্রধানমন্ত্রী আমার মায়ের হত্যার বিচার করেন।
উল্লেখ্য, গত ২০২২ সালের ২৯ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে পিতার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার পথে ধানক্ষেতে পথচারীরা দুই কন্যা সন্তানের জননী অপো রানী রায়ের মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পায়। পাশেই নিহতের সাথে ১০ বছরের মেয়ে বিপাশা রানী রায়কে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায় ৷ পরে পথচারীরা থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে  এবং সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। আর অজ্ঞান শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।