শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল সেফটিক ট্যাংকে

গাইবান্ধার সদর উপজেলায় আব্দুল্লাহ মিয়া (৮ মাস) নামের এক নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর (নন্দীর ভিটা) গ্রামের মোস্তাফা মিয়ার সেফটিক ট্যাংক থেকে আব্দুল্লাহ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশু আব্দুল্লাহ মিয়া ওই গ্রামের মাহাবুর রহমান ও জোসনা বেগম দম্পতির ছেলে।

স্বজনরা জানায়, সোমবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে হঠাৎ তরে আব্দুল্লাহ মিয়া নিখোঁজ হয়। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আজ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ওই ট্যাংকের পাশে একটি কাথা পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে সন্দেহ হলে  ট্যাংকের ভেতর তল্লাশি করে আব্দুল্লাহ মিয়ার মরদেহ পাওয়া যায় এবং তা উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, শিশুটি আমার আত্নীয়। নিখোঁজের পর আমিসহ প্রায় সহস্রাধিক মানুষ খোঁজাখুঁজি করেছি। পরে আজ সকালে বাড়ির পাশের সেফটিক ট্যাংকে আব্দুল্লা মিয়ার মরদেহ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আজ সকাল ১১ টার দিকে স্বজনদের বাড়ি থেকে আব্দুল্লাহ মিয়া নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

জনপ্রিয়

নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল সেফটিক ট্যাংকে

প্রকাশের সময়: ১২:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

গাইবান্ধার সদর উপজেলায় আব্দুল্লাহ মিয়া (৮ মাস) নামের এক নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর (নন্দীর ভিটা) গ্রামের মোস্তাফা মিয়ার সেফটিক ট্যাংক থেকে আব্দুল্লাহ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশু আব্দুল্লাহ মিয়া ওই গ্রামের মাহাবুর রহমান ও জোসনা বেগম দম্পতির ছেলে।

স্বজনরা জানায়, সোমবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে হঠাৎ তরে আব্দুল্লাহ মিয়া নিখোঁজ হয়। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আজ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ওই ট্যাংকের পাশে একটি কাথা পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে সন্দেহ হলে  ট্যাংকের ভেতর তল্লাশি করে আব্দুল্লাহ মিয়ার মরদেহ পাওয়া যায় এবং তা উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, শিশুটি আমার আত্নীয়। নিখোঁজের পর আমিসহ প্রায় সহস্রাধিক মানুষ খোঁজাখুঁজি করেছি। পরে আজ সকালে বাড়ির পাশের সেফটিক ট্যাংকে আব্দুল্লা মিয়ার মরদেহ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আজ সকাল ১১ টার দিকে স্বজনদের বাড়ি থেকে আব্দুল্লাহ মিয়া নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।