শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদে দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে গাইবান্ধা পৌরপার্ক

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপনে দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক বৈচিত্রময় গাইবান্ধা পৌরপার্ক। মনোরম পরিবেশ, ও শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে একটি মাত্র বিনোদনকেন্দ্র হওয়ায় পৌরপার্ক ফিরে পেয়েছে তার রুপ।

গাইবান্ধার হরিনসিংহার এস কে,এস ইন, বালাসীঘাট, জামতলার কাদের মিয়ার বাগান দর্শনীয় স্থান থাকলেও পৌরপার্কই যেন তাদের এক মাত্র বিনোদনকেন্দ্রতে পরিনত হয়েছে। তবে যাদের সামর্থ রয়েছে বা নদীর দৃশ্য উপভোগে ইচ্ছুক ছিল তারা রিক্সা, অটোরিক্সা ও মটরসাইকেলে ছুটেছেন এস, কে, এস ইন ও বালাসীঘাট ছুটেছেন।

দর্শনার্থীরা জানান পৌরপার্কটি বড় করার পাশাপাশি সাদুল্যাপুর রোডের জামতলার কাদের মিয়ার বাগানটি আরেকটু আধুনিক ও সজ্জিত করলে গাইবান্ধাবাসীর জন্য ভাল হতো।

গাইবান্ধা পৌরপার্ক ঘুরে দেখা গেছে- পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপনে সকাল থেকে রাত অবধি স্কুল পড়ুয়া ক্ষুদে বাচ্চা, বিভিন্ন যুবক, যুবতী ও স্বামী স্ত্রীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে৷ ঈদ উপলক্ষে পৌরপার্কে শোভা পাচ্ছে চড়কি, নাগরদোলনার পাশাপাশি চিনে মাটির তৈরি বিভিন্ন জীবজন্তু।

গাইবান্ধা শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা হতে পুরুষ ও নারীরা এসেছে তাদের বাচ্চাদের আনন্দ দেবার জন্য। চড়কি, নাগরদোলনা, দোলনা, চিনে মাটির তৈরি বিভিন্ন জীবজন্তুর উপর বসে আনন্দ উপভোগ করছে স্কুল পড়ুয়া ও উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা।

গাইবান্ধা খানকাহশরীফ বড় বাড়ির বাসিন্দা আইভি ইতি” এই প্রতিবেদক কে জানান- এমনি সময় কাজের চাপে ব্যস্ত থাকি সন্তান সহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। ঈদে বাসায় আসলে বাচ্চাদের নিয়ে বিনোদনকেন্দ্র পৌরপার্কে আসলাম। পার্কটি মনোরম ও ঠান্ডা আবহাওয়া থাকায় ভালই থাকে।বাচ্চারা ঘুরছে, খেলতেছে, ফুচকা, চটপটি খাচ্ছে। শহরের ভিতর পার্কটি ছোট হয়ে গিয়েছে। গ্যাঞ্জাম বেশি হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে মাছ পাড়ায় এসেছি। এটা একটু বড় হলে ভাল হতো৷ তাহলে নিরিবিলি বেড়ানো যেত।

ঢাকায় চাকুরীরত গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর এর জামালপুর এর বাসিন্দা মো: রাশেদ এই প্রতিবেদক কে জানান- ছোট বেলায় বন্ধুদের সাথে এই পৌরপার্কেই ঘুরেছি। আনন্দ করেছি। আজ ঈদের দিন মন ভাল রাখতে পার্কে এসেছি৷ বেড়ালে মন ভাল থাকে। তাছাড়া এটি গাইবান্ধার মাঝখানে হওয়ায় ঘুরতে ও আড্ডা দিতে ভাল লাগে। পার্কটি ছোট হওয়ায় গ্যাঞ্জাম বেশি। আরও দুটি পার্ক হলে আমাদের জন্য ভাল হতো। মানুষের জন্য ভাল হতো।

গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র মতলুবর রহমান এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন- গাইবান্ধা শহরের যে পুরাতন ঘাঘট নদী রয়েছে। পৌরসভার পক্ষ হতে এটাকে আমরা ঘাঘট লেক বানাতে সৌন্দর্য বর্ধিত করব। যাতে মানুষ বিনোদন উপভোগ করতে পারে। তাছাড়া গাইবান্ধার আদর্শ কলেজ হতে টাইগার মোড় পর্যন্ত আমরা সৌন্দর্য বর্ধিত করব। প্রকল্প হাতে নিয়ে আমরা এই কাজটি করব। তবে ঘাঘট লেকটিকে আমরা বেশি প্রায়রিটি ( গুরুত্ব)দিচ্ছি।

জনপ্রিয়

ঈদে দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে গাইবান্ধা পৌরপার্ক

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০২৩

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপনে দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক বৈচিত্রময় গাইবান্ধা পৌরপার্ক। মনোরম পরিবেশ, ও শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে একটি মাত্র বিনোদনকেন্দ্র হওয়ায় পৌরপার্ক ফিরে পেয়েছে তার রুপ।

গাইবান্ধার হরিনসিংহার এস কে,এস ইন, বালাসীঘাট, জামতলার কাদের মিয়ার বাগান দর্শনীয় স্থান থাকলেও পৌরপার্কই যেন তাদের এক মাত্র বিনোদনকেন্দ্রতে পরিনত হয়েছে। তবে যাদের সামর্থ রয়েছে বা নদীর দৃশ্য উপভোগে ইচ্ছুক ছিল তারা রিক্সা, অটোরিক্সা ও মটরসাইকেলে ছুটেছেন এস, কে, এস ইন ও বালাসীঘাট ছুটেছেন।

দর্শনার্থীরা জানান পৌরপার্কটি বড় করার পাশাপাশি সাদুল্যাপুর রোডের জামতলার কাদের মিয়ার বাগানটি আরেকটু আধুনিক ও সজ্জিত করলে গাইবান্ধাবাসীর জন্য ভাল হতো।

গাইবান্ধা পৌরপার্ক ঘুরে দেখা গেছে- পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপনে সকাল থেকে রাত অবধি স্কুল পড়ুয়া ক্ষুদে বাচ্চা, বিভিন্ন যুবক, যুবতী ও স্বামী স্ত্রীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে৷ ঈদ উপলক্ষে পৌরপার্কে শোভা পাচ্ছে চড়কি, নাগরদোলনার পাশাপাশি চিনে মাটির তৈরি বিভিন্ন জীবজন্তু।

গাইবান্ধা শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা হতে পুরুষ ও নারীরা এসেছে তাদের বাচ্চাদের আনন্দ দেবার জন্য। চড়কি, নাগরদোলনা, দোলনা, চিনে মাটির তৈরি বিভিন্ন জীবজন্তুর উপর বসে আনন্দ উপভোগ করছে স্কুল পড়ুয়া ও উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা।

গাইবান্ধা খানকাহশরীফ বড় বাড়ির বাসিন্দা আইভি ইতি” এই প্রতিবেদক কে জানান- এমনি সময় কাজের চাপে ব্যস্ত থাকি সন্তান সহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। ঈদে বাসায় আসলে বাচ্চাদের নিয়ে বিনোদনকেন্দ্র পৌরপার্কে আসলাম। পার্কটি মনোরম ও ঠান্ডা আবহাওয়া থাকায় ভালই থাকে।বাচ্চারা ঘুরছে, খেলতেছে, ফুচকা, চটপটি খাচ্ছে। শহরের ভিতর পার্কটি ছোট হয়ে গিয়েছে। গ্যাঞ্জাম বেশি হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে মাছ পাড়ায় এসেছি। এটা একটু বড় হলে ভাল হতো৷ তাহলে নিরিবিলি বেড়ানো যেত।

ঢাকায় চাকুরীরত গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর এর জামালপুর এর বাসিন্দা মো: রাশেদ এই প্রতিবেদক কে জানান- ছোট বেলায় বন্ধুদের সাথে এই পৌরপার্কেই ঘুরেছি। আনন্দ করেছি। আজ ঈদের দিন মন ভাল রাখতে পার্কে এসেছি৷ বেড়ালে মন ভাল থাকে। তাছাড়া এটি গাইবান্ধার মাঝখানে হওয়ায় ঘুরতে ও আড্ডা দিতে ভাল লাগে। পার্কটি ছোট হওয়ায় গ্যাঞ্জাম বেশি। আরও দুটি পার্ক হলে আমাদের জন্য ভাল হতো। মানুষের জন্য ভাল হতো।

গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র মতলুবর রহমান এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন- গাইবান্ধা শহরের যে পুরাতন ঘাঘট নদী রয়েছে। পৌরসভার পক্ষ হতে এটাকে আমরা ঘাঘট লেক বানাতে সৌন্দর্য বর্ধিত করব। যাতে মানুষ বিনোদন উপভোগ করতে পারে। তাছাড়া গাইবান্ধার আদর্শ কলেজ হতে টাইগার মোড় পর্যন্ত আমরা সৌন্দর্য বর্ধিত করব। প্রকল্প হাতে নিয়ে আমরা এই কাজটি করব। তবে ঘাঘট লেকটিকে আমরা বেশি প্রায়রিটি ( গুরুত্ব)দিচ্ছি।