শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বাঁধ ঘেসে মাটি খনন, ঘরবাড়ি-কৃষিজমি ক্ষতির আশঙ্কা

Digital Camera

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘাঘট নদীর বাঁধের কোল ঘেষে অবাধে মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি স্বার্থন্বেশী পরিবার। খননকৃত জায়গাটি পুকুরে পরিনত হওয়ায় শতাধিক হেক্টর কৃষিজমি ও বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা গ্রামের নীলকন্ত ছড়া এলাকায় দেখা যায়, অবাধে মাটি কাটার চিত্র।

জানা যায়, জামুডাঙ্গা গ্রামের জুয়েল মিয়া ও তার পিতা ফুলমিয়া নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য ওই বাঁধের কোল ঘেসে এবং নীলকান্ত ছড়ার খাস জমি থেকে মাটি কেটে অবাধে বিক্রি করে আসছে। সেখানে ১২-১৫ ফুট গহিন করে বিশালাকৃতির পুকুর করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে এসব মাটি কাঁকড়া গাড়ী দিয়ে বহন করায় জামডাঙ্গা বাঁধটি বিভিন্ন স্থানে ধ্বসে যাচ্ছে। এমনকি শতশত গর্তে উপনিত হয়েছে। যার ফলে হাজার হাজার মানুষের চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। এছাড়া মাটি খননের কারনে বর্ষা মৌসুমে বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাসহ শতাধিক হেক্টর ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। বিদ্যমান পরিস্থিতে ক্ষতির আশঙ্কা মানুষরা গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

100%স্থানীয় বাসিন্দা শাহাদৎ হোসেন জানান, খননকৃত জায়গাটি মাটি দিয়ে ভরাট না করা হলে, বর্ষাকালে বিলীন হতে পারে ঘরবাড়ি ও আবাদী জমি। সম্ভাব্য এ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফুলমিয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, জমিটি খাস খতিয়ানের নয়। এটি আমার স্ত্রীর নামীয় রেকর্ডভুক্ত। মাছ চাষ করার জন্য খনন করা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুরের দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন জাগো২৪.নেট-কে জানান, ওইস্থানে মাটি কাটা হচ্ছে, সে বিষয়ে জানা নেই। খতিয়ে দেখা হবে।

 

 

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে বাঁধ ঘেসে মাটি খনন, ঘরবাড়ি-কৃষিজমি ক্ষতির আশঙ্কা

প্রকাশের সময়: ০৪:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘাঘট নদীর বাঁধের কোল ঘেষে অবাধে মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি স্বার্থন্বেশী পরিবার। খননকৃত জায়গাটি পুকুরে পরিনত হওয়ায় শতাধিক হেক্টর কৃষিজমি ও বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা গ্রামের নীলকন্ত ছড়া এলাকায় দেখা যায়, অবাধে মাটি কাটার চিত্র।

জানা যায়, জামুডাঙ্গা গ্রামের জুয়েল মিয়া ও তার পিতা ফুলমিয়া নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য ওই বাঁধের কোল ঘেসে এবং নীলকান্ত ছড়ার খাস জমি থেকে মাটি কেটে অবাধে বিক্রি করে আসছে। সেখানে ১২-১৫ ফুট গহিন করে বিশালাকৃতির পুকুর করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে এসব মাটি কাঁকড়া গাড়ী দিয়ে বহন করায় জামডাঙ্গা বাঁধটি বিভিন্ন স্থানে ধ্বসে যাচ্ছে। এমনকি শতশত গর্তে উপনিত হয়েছে। যার ফলে হাজার হাজার মানুষের চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। এছাড়া মাটি খননের কারনে বর্ষা মৌসুমে বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাসহ শতাধিক হেক্টর ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। বিদ্যমান পরিস্থিতে ক্ষতির আশঙ্কা মানুষরা গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

100%স্থানীয় বাসিন্দা শাহাদৎ হোসেন জানান, খননকৃত জায়গাটি মাটি দিয়ে ভরাট না করা হলে, বর্ষাকালে বিলীন হতে পারে ঘরবাড়ি ও আবাদী জমি। সম্ভাব্য এ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফুলমিয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, জমিটি খাস খতিয়ানের নয়। এটি আমার স্ত্রীর নামীয় রেকর্ডভুক্ত। মাছ চাষ করার জন্য খনন করা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুরের দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন জাগো২৪.নেট-কে জানান, ওইস্থানে মাটি কাটা হচ্ছে, সে বিষয়ে জানা নেই। খতিয়ে দেখা হবে।