রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধুর বিশেষ অঙ্গ কেটে দিয়ে নিজের শরীর-অঙ্গও কাটা গেল যুবকের

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সিরাজুল ইসলাম (২০) নামের এক বন্ধুর বিশেষ অঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছেন বেলাল হোসেন (২২) নামের এক যুবক। এরপর বেলাল হোসেনেরও অঙ্গ-শরীর কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের সুজালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত বেলাল হোসেন ওই গ্রামের মফিজল হক মফির ছেলে এবং ঘটনার শিকার সিরাজুল পার্শ্ববর্তী তোতা মিয়ার ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেলালের সঙ্গে সিরাজুলের দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্ব চলে আসছিল। এরই মধ্যে বেলালের খালাতো বোনের সাথে সিরাজুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি বেলাল জানতে পেরে গোপনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। এরই একপর্যায়ে সিরাজুলকে ঈদের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে আনেন বেলাল। তারপর ঘরে নিয়ে সিরাজুলের লিঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দেন। এ অবস্থায় গুরুতর আহত সিরাজুল ইসলামকে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত বেলাল হোসেন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর বিকেলের দিকে কামালের পাড়া ইউনিয়নের মাটেলের বিল নামক স্থানে গলা, পেটে ও লিঙ্গ কাটা যখম অবস্থায় বেলালকে পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। বর্তমানে উভয়ে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতা ভর্তি রয়েছেন।
এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মততাজুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ব্যাপারটি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
জনপ্রিয়

বন্ধুর বিশেষ অঙ্গ কেটে দিয়ে নিজের শরীর-অঙ্গও কাটা গেল যুবকের

প্রকাশের সময়: ১০:০৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সিরাজুল ইসলাম (২০) নামের এক বন্ধুর বিশেষ অঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছেন বেলাল হোসেন (২২) নামের এক যুবক। এরপর বেলাল হোসেনেরও অঙ্গ-শরীর কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের সুজালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত বেলাল হোসেন ওই গ্রামের মফিজল হক মফির ছেলে এবং ঘটনার শিকার সিরাজুল পার্শ্ববর্তী তোতা মিয়ার ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেলালের সঙ্গে সিরাজুলের দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্ব চলে আসছিল। এরই মধ্যে বেলালের খালাতো বোনের সাথে সিরাজুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি বেলাল জানতে পেরে গোপনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। এরই একপর্যায়ে সিরাজুলকে ঈদের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে আনেন বেলাল। তারপর ঘরে নিয়ে সিরাজুলের লিঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দেন। এ অবস্থায় গুরুতর আহত সিরাজুল ইসলামকে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত বেলাল হোসেন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর বিকেলের দিকে কামালের পাড়া ইউনিয়নের মাটেলের বিল নামক স্থানে গলা, পেটে ও লিঙ্গ কাটা যখম অবস্থায় বেলালকে পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। বর্তমানে উভয়ে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতা ভর্তি রয়েছেন।
এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মততাজুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ব্যাপারটি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।