গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় শামীম কবির (৩৩) নামের এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। আর এনিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাতে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এই মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (২৪ জুন) শামীম কবিরের পিতা ছইর উদ্দিন বাদি মামলা করেছেন। এতে রাকিবুল ইসলাম শাহীনসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়।
এর আগে ১৭ জুন সকাল ৬ টার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ দূর্গাপুর গ্রামে নির্যাতনের শিকার হন- শামীম কবির নামের এই যুবক।
মামলার বিবরণে ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শামীম কবির কবিরাজী পেশায় নিয়োজিত আছেন। এ লক্ষ্যে ১৭ জুন সকাল ৬ টার দিকে শামীম কবির পাশ্ববর্তী চালুনদহ ব্রিজের দক্ষিণের একটি শ্বশান ঘাটিতে যান। সেখান থেকে ওষুধী গাছ সংগ্রহ করে বাড়ি ফিরছিলেন।
এরই মধ্যে পুর্ব শত্রুতার জেরে দক্ষিণ দূর্গাপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলাম শাহীন ও তোফাজ্জল আলীসহ তাদের পরিবারের আরও অনেকে শামীম কবিরকে পথরোধ করেন। এরপর গাছের সঙ্গে রশিতে হাত বেঁধে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে শামীমকে পিটিয়ে যখম এবং প্লাচ ও ব্লেড দিয়ে হাত-পায়ের বিভিন্ন স্থানে কেটে রক্তাক্ত করে দেয়। পরে গুরুতর আহত শামীমকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে শামীমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্যাতনের শিকার শামীম কবিরের পিতা ছইর উদ্দিন বলেন, ছেলেকে আমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি। আসামিদের দ্রত গ্রেফতারের দাবি করছি।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, শামীম কবির নামের যুবককে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এই আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
















