মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোমর পানিতে নেমে ত্রাণ পোঁছালেন স্বেচ্ছাসেবকরা

গাইবান্ধার চলমান বন্যায় খাদ্য সংকটে ভুগছেন দুর্গত মানুষেরা। আর এসব অসহায় পরিবারের হাতে ত্রাণ সমগ্রী পৌঁছে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরা।

রোববার (১৪ জুলাই) গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া, কামারজানী ও পচারকুড়া এলাকায় এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সংযোগ সংগঠনের সহযোগিতা ও বিএডিআরসি সংগঠনে অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ করেন সংযোগ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা।

এসময় সংগঠনের কর্মীরা বন্যা প্লাবিতদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। পণ্য হিসাবে ছিল- চাল, ডাল, তেল, চিড়া। এসব সামগ্রী পেয়ে খুশি বন্যার্ত পরিবারের সদস্যরা।

উত্তর ঘাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা বলেন, কয়েকদিন থেকে ঘরে পানিবন্দি হয়ে আছি। কর্মহীন হয়ে বসে থাকার সময় আজ সংযোগ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী পেলাম। এখন কয়দিন ডাল ভাত খেতে পারবো।

আয়োজক কমিটির স্বেচ্ছাসেবক কমিটির দলনেতা রিপন মিয়া বলেন, ‘সংযোগ’ সংগঠনের সহযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছি। কয়েক দফায় আমরা পাঁচ শতাধিক বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

কোমর পানিতে নেমে ত্রাণ পোঁছালেন স্বেচ্ছাসেবকরা

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

গাইবান্ধার চলমান বন্যায় খাদ্য সংকটে ভুগছেন দুর্গত মানুষেরা। আর এসব অসহায় পরিবারের হাতে ত্রাণ সমগ্রী পৌঁছে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরা।

রোববার (১৪ জুলাই) গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া, কামারজানী ও পচারকুড়া এলাকায় এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সংযোগ সংগঠনের সহযোগিতা ও বিএডিআরসি সংগঠনে অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ করেন সংযোগ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা।

এসময় সংগঠনের কর্মীরা বন্যা প্লাবিতদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। পণ্য হিসাবে ছিল- চাল, ডাল, তেল, চিড়া। এসব সামগ্রী পেয়ে খুশি বন্যার্ত পরিবারের সদস্যরা।

উত্তর ঘাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা বলেন, কয়েকদিন থেকে ঘরে পানিবন্দি হয়ে আছি। কর্মহীন হয়ে বসে থাকার সময় আজ সংযোগ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী পেলাম। এখন কয়দিন ডাল ভাত খেতে পারবো।

আয়োজক কমিটির স্বেচ্ছাসেবক কমিটির দলনেতা রিপন মিয়া বলেন, ‘সংযোগ’ সংগঠনের সহযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছি। কয়েক দফায় আমরা পাঁচ শতাধিক বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।