মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গলা পানি বয়ে ত্রাণ সংগ্রহে বন্যার্তরা

আমেনা, নুরু, ছকিনা। এছাড়া আরও বেশকিছু নারী-পুরুষকে দেখা যায়  গলা পানিতে। তারা সবাই বন্যার কবলে ক্ষুধার্ত। লাল-সবুজ সোসাইটি নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ত্রাণ বিতরণের খরব পেয়ে পানিতে ছুটছেন এইসব বন্যার্তরা।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরের দিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার নামাপাড়া চর, বাজে ফুলছড়ি চরসহ বিভিন্ন চরাঞলে বন্যাকিবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে ওই সংগঠনের কর্মীরা।

এ কর্যক্রমে শতাধিক পরিবারের পরিবারের মাঝে চিড়া, গুড়, খাবার স্যালাইন, মোমবাতি ও ম্যাচ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- মানব কল্যাণ সংগঠনের অন্যতম সদস্য জাহাঙ্গির আলম, লিংকন আহমেদ, মোনারুল, বেলাল, আলিম, নয়ন, হাসিব, নাহিদ, সুমাইয়া, রিয়া, জান্নাত তোসা, পুর্ণিমা এবং রংপুর টিমের সদস্যসহ আরও অনেকে।

এই কর্মসূচির সুবিধাভোগি আমেনা বেগম নামের এক বৃদ্ধা বলেন- এবারের কন্যায় প্রায় এক সপ্তাহ‌ ধরে পানিবন্দি হয়ে আছি। কিন্তু কোনো জনপ্রতিনিধি আমাদের এখানে আসেনি। আজ এই খাবার টুকু পেয়ে অনেকটা ভালো লাগছে।

ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের আয়োজকরা বলেন, আমাদের যতটুকু সামর্থ্য হয়েছে তা বন্যা দুর্গতদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছি। এরকম মানব সেবামূলক কাজ আগেও করেছি, যা আগামিতেও করবো। বিভিন্ন সংগঠন ও এলাকার প্রতিনিধিদের এগিয়ে আসার আহব্বান জানান তারা।

জনপ্রিয়

গলা পানি বয়ে ত্রাণ সংগ্রহে বন্যার্তরা

প্রকাশের সময়: ০২:১৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

আমেনা, নুরু, ছকিনা। এছাড়া আরও বেশকিছু নারী-পুরুষকে দেখা যায়  গলা পানিতে। তারা সবাই বন্যার কবলে ক্ষুধার্ত। লাল-সবুজ সোসাইটি নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ত্রাণ বিতরণের খরব পেয়ে পানিতে ছুটছেন এইসব বন্যার্তরা।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরের দিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার নামাপাড়া চর, বাজে ফুলছড়ি চরসহ বিভিন্ন চরাঞলে বন্যাকিবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে ওই সংগঠনের কর্মীরা।

এ কর্যক্রমে শতাধিক পরিবারের পরিবারের মাঝে চিড়া, গুড়, খাবার স্যালাইন, মোমবাতি ও ম্যাচ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- মানব কল্যাণ সংগঠনের অন্যতম সদস্য জাহাঙ্গির আলম, লিংকন আহমেদ, মোনারুল, বেলাল, আলিম, নয়ন, হাসিব, নাহিদ, সুমাইয়া, রিয়া, জান্নাত তোসা, পুর্ণিমা এবং রংপুর টিমের সদস্যসহ আরও অনেকে।

এই কর্মসূচির সুবিধাভোগি আমেনা বেগম নামের এক বৃদ্ধা বলেন- এবারের কন্যায় প্রায় এক সপ্তাহ‌ ধরে পানিবন্দি হয়ে আছি। কিন্তু কোনো জনপ্রতিনিধি আমাদের এখানে আসেনি। আজ এই খাবার টুকু পেয়ে অনেকটা ভালো লাগছে।

ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের আয়োজকরা বলেন, আমাদের যতটুকু সামর্থ্য হয়েছে তা বন্যা দুর্গতদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছি। এরকম মানব সেবামূলক কাজ আগেও করেছি, যা আগামিতেও করবো। বিভিন্ন সংগঠন ও এলাকার প্রতিনিধিদের এগিয়ে আসার আহব্বান জানান তারা।