কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে অনন্ত ৭০০ জনকে। এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ৬৫ জন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) গাইবান্ধা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৯ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ছাকা বাদী হয়ে ৭৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০০-২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা করেন। এ মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বানিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এমারুল ইসলাম সাবিনের ছেলে সৌমিককেও আসামি করা হয়।
এছাড়া গত ১৭ জুলাই ৪৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩০০-৪০০ জনের নামে আরও একটি মামলা করে পুলিশ। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ১৭ জুলাই জেলা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ১নং রেলগেটে অবস্থান নেয় তারা। এসময় আন্দোলনকারীদের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে উত্তেজিত হয়ে যায় তারা। কয়েক দফায় আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশ ও ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর করা হয়। এরপর বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এছাড়া দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সদর আসনের মহাজোটের প্রার্থী আব্দুর রশিদ সরকারের ছেলে সিজানকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বলেন, মামলায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একসঙ্গে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক দাবি করে বলেন, এ পর্যন্ত বিএনপির ৮৬ নেতাকর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
















