মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একদফা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীর লাশ সাঘাটায় দাফন

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সাজ্জাত হোসেন সজল নামের এক শিক্ষার্থী ঢাকায় একদফা আন্দোলনে গিয়ে নিহত হয়েছেন। তার লাশ গ্রামের বাড়ি সাঘাটায় এনে দাফন করা হয়েছে।

বুধবার (৭ আগসট) দুপুরে উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সাজ্জাত হোসেন সজল ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। সে ঢাকার বেসরকারি সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলো।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহত সাজ্জাত হোসেন সজলের মা শাহিনা বেগম । তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের একদফা অসহোযোগ আন্দোলনের সময় নিখোঁজ হয় সজল। পরে আগুনে ঝলসে যাওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড দেখে সজলের লাশ সনাক্ত করা হয়। এরপর মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে অ্যাম্বুলেন্সযোগে সজলের লাশ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় আনা হয়। বুধবার (৭ আগস্ট) মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সজল ও তার পরিবার ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় থাকতেন। তার মা শাহিনা বেগম একটি বেসরকারির ক্লিনিকে চাকরি করতেন। সেই আয় থেকেই ছেলের লেখাপড়ার খরচ যোগাতেন। ছেলেকে নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন ছিল।

জনপ্রিয়

একদফা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীর লাশ সাঘাটায় দাফন

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অগাস্ট ২০২৪

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সাজ্জাত হোসেন সজল নামের এক শিক্ষার্থী ঢাকায় একদফা আন্দোলনে গিয়ে নিহত হয়েছেন। তার লাশ গ্রামের বাড়ি সাঘাটায় এনে দাফন করা হয়েছে।

বুধবার (৭ আগসট) দুপুরে উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সাজ্জাত হোসেন সজল ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। সে ঢাকার বেসরকারি সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলো।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহত সাজ্জাত হোসেন সজলের মা শাহিনা বেগম । তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের একদফা অসহোযোগ আন্দোলনের সময় নিখোঁজ হয় সজল। পরে আগুনে ঝলসে যাওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড দেখে সজলের লাশ সনাক্ত করা হয়। এরপর মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে অ্যাম্বুলেন্সযোগে সজলের লাশ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় আনা হয়। বুধবার (৭ আগস্ট) মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সজল ও তার পরিবার ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় থাকতেন। তার মা শাহিনা বেগম একটি বেসরকারির ক্লিনিকে চাকরি করতেন। সেই আয় থেকেই ছেলের লেখাপড়ার খরচ যোগাতেন। ছেলেকে নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন ছিল।